দীঘিনালায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক ও ফসলি জমি প্লাবিত
২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বেশ কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের ফলে উপজেলার মেরুং ও কবাখালি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে গেছে। এতে স্থানীয় জনজীবন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে।
বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে দীঘিনালা উপজেলার বড় মেরুং স্টিল ব্রিজসংলগ্ন নিচু এলাকার সড়ক সম্পূর্ণ পানিতে ডুবে গেছে। এর ফলে খাগড়াছড়ির সঙ্গে লংগদু সড়কের যানবাহন চলাচল বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। আকস্মিক এই জলাবদ্ধতার কারণে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা একরকম অচল হয়ে পড়েছে।
এদিকে দীঘিনালা সাজেক সড়কের কবাখালী স্টেডিয়ামসংলগ্ন এলাকার ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ওই সড়কে বর্তমানে ১ থেকে ২ ফুট পর্যন্ত পানি জমে রয়েছে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়েও সাধারণ যানবাহন ও পথচারী চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
সড়ক প্লাবিত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা। স্থানীয় বাসিন্দা সুপন চাকমা জানান, সকালে মাঈনী যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে তিনি বড় মেরুং স্টিল ব্রিজের কাছে আসেন। সেখানে এসে তিনি দেখেন যে সম্পূর্ণ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।
সুপন চাকমা আরও জানান, মোটরসাইকেল নিয়ে ওই সড়ক দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এখন নৌকা ছাড়া নদী বা প্লাবিত সড়ক পারাপার হওয়ার আর কোনো উপায় নেই বলে জানান তিনি। সড়ক ডুবে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের এখন নৌকাই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সড়ক ও ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ার এই পরিস্থিতিতে দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, যদি নতুন করে আর বৃষ্টিপাত না হয়, তবে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জমে যাওয়া পানি নেমে যেতে পারে।








