বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
মিশরের থেবানে তিন হাজার বছরের প্রাচীন অভিজাত সমাধি আবিষ্কৃত
মিশরের লাক্ষ্মোর শহরের কাছে থেবানের নেক্রোপলিস থেকে প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো একটি প্রাচীন সমাধি আবিষ্কৃত হয়েছে। রামমেসাইড আমলের এই সমাধিতে পাসার নামের এক পুরুষ কর্মকর্তার পরিচয় পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক গবেষক দল এই গবেষণা পরিচালনা করছে।
<প>মিশরের লাক্ষ্মোর শহরের কাছে থেবানের নেক্রোপলিস বা সমাধিক্ষেত্রে প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো একটি প্রাচীন অভিজাত সমাধি আবিষ্কৃত হয়েছে। আন্তর্জাতিক এক গবেষণা দল এই প্রাচীন সমাধিটি আবিষ্কার করেছে। মিশরের এই ঐতিহাসিক অঞ্চলটি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।< প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আবিষ্কৃত এই সমাধিটি আনুমানিক ১২৯২ থেকে ১০৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দের রামমেসাইড আমলের। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কালপঞ্জি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেਸ਼ণ করে গবেষক দল এই সময়কাল নির্ধারণ করেছে।< তথ্যানুযায়ী, এই সমাধির প্রধান মালিক হিসেবে একজন পুরুষ কর্মকর্তার পরিচয় পাওয়া গেছে। সমাধিটির ভেতরে থাকা বিভিন্ন অঙ্কিত অলংকরণ বা পেইন্টেড ডেকোরেশন বিশ্লেষণ করে তাঁর নাম পাসার হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।< ঐতিহাসিক এই আবিষ্কারটি মিসরের লাক্ষ্মোর অঞ্চলের লোয়ার শেখ আবদ এল-কুরনা নেক্রোপলিস এলাকায় অবস্থিত। পুরো থেবানের এই নেক্রোপলিস এলাকাটি প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।< গবেষক দলটির এই গবেষণা প্রকল্পের মূল বা প্রাথমিক লক্ষ্য হলো এই নেক্রোপলিস অঞ্চলের জন্য একটি কার্যকর সংরক্ষণ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। আকস্মিক বন্যা বা ফ্ল্যাশ ফ্লাডিংয়ের মতো প্রাকৃতিক ঝুঁকির হাত থেকেই মূলত ঐতিহাসিক এই এলাকাটিকে রক্ষার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।