ভারতের রাজনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আশির দশকের ট্রেন্ড
ভারতের রাজনীতিবিদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি আশির দশকের রেট্রো ছবির ট্রেন্ডে মেতে উঠেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কিরেন রিজিজু এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই ট্রেন্ডে অংশ নিয়ে নিজেদের ছবি শেয়ার করেছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি আশির দশকের রেট্রো ছবির একটি ট্রেন্ড দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরাও এই ট্রেন্ডে অংশ নিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই নতুন প্রবণতাটি এখন ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভারতের বিভিন্ন স্তরের নেতারা এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ট্রেন্ডে নিজেদের যুক্ত করেছেন। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে আশির দশকের স্টাইলে তৈরি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার হিড়িক পড়েছে। এই ধারাবাহিকতায় ভারতের বিশিষ্ট মন্ত্রী ও নেতারা তাদের অনুসারীদের মাঝে সেই পুরনো দিনের নস্টালজিক লুকের ছবি শেয়ার করছেন।
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এই ট্রেন্ডে অংশ নিয়ে নিজের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি আশির দশকের স্টাইলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। ছবি শেয়ার করার সময় তিনি নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, "আশির দশকের প্রবণতায় মেতে উঠেছি।"
এদিকে, ভারতের সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের একটি এআই-জেনারেটেড আশির দশকের স্টাইলের ছবি পোস্ট করেছেন। এই ট্রেন্ডে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, "সবাই কেন আশির দশকের আবহে ফিরে যাচ্ছে? আমাকেও জোর করে আশির দশকের নস্টালজিয়ায় ফিরতে হচ্ছে।"
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। তিনিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একটি রেট্রো ছবি শেয়ার করে এই ট্রেন্ডে নিজের অংশগ্রহণের কথা জানান। হিমন্ত বিশ্বশর্মা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "নস্টালজিয়া জড়িত কোনো প্রবণতা থেকে বাদ পড়তে চাই না। আবার আশির দশকে ফিরে যাই!"
২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত জাগো নিউজের তথ্যানুযায়ী, ভারতের রাজনীতিবিদেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই আশির দশকের রেট্রো ছবির ট্রেন্ডে ব্যাপকভাবে মেতে উঠেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ট্রেন্ডটি ব্যবহারকারী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে।








