কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি আশির দশকের ছবিতে প্রায় সবার চুলে কেন কোঁকড়া বা ঘন ভাব দেখা যায়, তা নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা তৈরি হয়েছে। এআই প্রযুক্তির নিজস্ব ব্যাখ্যামূলক কাজের ধরনের কারণেই মূলত এমন দৃশ্য তৈরি হয়।
<প>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা আশির দশকের বিভিন্ন ছবিতে একটি সাধারণ দৃশ্য প্রায়ই চোখে পড়ে। এই ছবিগুলোতে দেখা যায়, সে সময়ের মানুষের চুলে অতিরিক্ত কোঁকড়া বা ঘন বাউন্সি ভাব রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রযুক্তি ও ইতিহাসপ্রেমীদের মধ্যে নানা কৌতূহল কাজ করছে।
<প্রযুক্তির গবেষকদের মতে,
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কোনো মানুষের মতো নিখুঁত ঐতিহাসিক স্মৃতি থেকে ছবি তৈরি করে না। এটি মূলত বিভিন্ন প্রম্পট বা নির্দেশনার পাশাপাশি এর আগে শিখে যাওয়া বা সংগ্রহ করা বিভিন্ন দৃশ্যগত বা ভিজ্যুয়াল প্যাটার্নের ওপর ভিত্তি করে ছবি তৈরি করে থাকে।
<প>বাস্তব ইতিহাস ঘাঁটলে
দেখা যায়,
আশির দশকে সব মানুষের চুলই কোঁকড়া ছিল না। এটি কেবলই একটি সাধারণ ধারণা বা ট্রেন্ড ছিল, যা তৎকালীন সময়ে বাস্তবে সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল না। কিন্তু এআইয়ের কাজের নিজস্ব পদ্ধতির কারণে এই অসত্য সাধারণীকরণটিই বারবার ছবিতে ফুটে ওঠে।
<প>প্রকৃতপক্ষে, আশির দশকে পশ্চিমা সিনেমা, টেলিভিশন এবং পপ সংস্কৃতির ব্যাপক প্রভাবের কারণে সে সময় মানুষের মধ্যে কোঁকড়া, ঢেউ খেলানো এবং পার্ম করা বা কোঁকড়া করার hairstyles বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। সেই জনপ্রিয় সংস্কৃতি বা ট্রেন্ডের ঐতিহাসিক তথ্যটিই এআইয়ের ডেটাসেটে সংরক্ষিত রয়েছে।
<প>যখনই ব্যবহারকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আশির দশকের কোনো মানুষের ছবি তৈরির জন্য নির্দেশনা দেন, তখন প্রযুক্তিটি সেই পুরনো ট্রেন্ডের ভিজ্যুয়াল প্যাটার্নগুলোর ওপর নির্ভর করে। ফলে প্রতিটি ছবিতে সে সময়ের একটি বিশেষ ফ্যাশনকে অতিরিক্ত মাত্রায় ফুটিয়ে তোলা হয়।
<প>এই তথ্যের ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট যে, প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা এবং ঐতিহাসিক তথ্যের যান্ত্রিক ব্যাখ্যার কারণেই এআই জেনারেটেড ছবিতে আশির দশকের মানুষদের এমন একটি বিশেষ রূপ বারবার সামনে চলে আসে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্যে এই বিষয়টি বিশদভাবে উঠে এসেছে।