নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের অংশ বিশেষ সমাধানের দাবি ওপেনএআইয়ের
যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রায় ১০ হাজার এজেন্ট ব্যবহার করে নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের সমাধান করার দাবি করেছে ওপেনএআই। ৮৮ ঘণ্টা ধরে চলা এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩০ লাখ বার্তা এবং প্রায় ১৩০ বিলিয়ন আউটপুট টোকেন উৎপাদিত হয়। এই সমীকরণটি তরল ও গ্যাসের গতিবিধি বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ক্লে ম্যাথমেটিকস ইনস্টিটিউটের ‘মিলেনিয়াম প্রাইজ’ সমস্যাগুলোর একটি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রায় ১০ হাজার এজেন্ট ব্যবহার করে নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের সমাধান করেছে ওপেনএআই। এই যুগান্তকারী অর্জনের ফলে বিজ্ঞান ও গণিতের দীর্ঘদিনের একটি জটিল সমস্যার সমাধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ওপেনএআইয়ের এই পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লেগেছে ৮৮ ঘণ্টা। এই দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্টগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৩০ লাখ বার্তা আদান-প্রদান করা হয় এবং প্রায় ১৩০ বিলিয়ন আউটপুট টোকেন উৎপাদিত হয়, যা প্রযুক্তিগতভাবে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ।
বিজ্ঞ the ক্ষেত্রে নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই সমীকরণ তরল ও গ্যাসের গতিবিধি নির্ভুলভাবে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়। পদার্থবিজ্ঞান ও প্রকৌশলবিদ্যায় তরল গতিবিদ্যার নানা জটিল সমস্যার বিশ্লেষণে এই সমীকরণের ব্যবহার অপরিহার্য।
বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হলো, নেভিয়ার-স্টোকসের এই বিশেষ সমস্যাটি সাধারণ কোনো গাণিতিক সমস্যা নয়। এটি দ্য ক্লে ম্যাথমেটিকস ইনস্টিটিউটের সুপরিচিত ‘মিলেনিয়াম প্রাইজ’ বা সহস্রাব্দের পুরস্কারের জন্য নির্ধারিত সমস্যাগুলোর একটি। দীর্ঘ ৯০ বছর ধরে এই সমস্যার সমাধান নিয়ে গণিতবিদ ও গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও চেষ্টা অব্যাহত ছিল।
এই পুরো গবেষণা ও উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার পেছনে স্যাম অল্টম্যান, ট্রিস্টান বাকমাস্টার এবং লেভেন্ট আলপোগে মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যুক্ত ছিলেন। এছাড়া এই কাজের সাথে ওপেনএআই ছাড়াও দ্য ক্লে ম্যাথমেটিকস ইনস্টিটিউট এবং নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রাতিষ্ঠানিক ও তাত্ত্বিক দিক থেকে সংশ্লিষ্ট রয়েছে।
এই পুরো কাজের আর্থিক ও প্রায়োগিক পরিধিও বেশ বড়। এই কার্যক্রমে প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমমানের গুরুত্ব বা বিনিয়োগ জড়িত ছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এজেন্টভিত্তিক প্রযুক্তির এমন ব্যবহার বিজ্ঞান জগতের অন্যতম কঠিন ধাঁধা সমাধানে নতুন পথ দেখাচ্ছে।








