বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
বৃষ্টির পূর্বাভাস সত্ত্বেও কমছে না ভ্যাপসা গরম
দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলেও ভ্যাপসা গরম থেকে এখনই স্বস্তি পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ১২০ ঘণ্টার বৃষ্টির পূর্বাভাসেও গরম কমার বিষয়টি অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশে চলমান তীব্র ভ্যাপসা গরম পরিস্থিতি থেকে সাধারণ মানুষের স্বস্তি পাওয়ার বিষয়টি আপাতত অনিশ্চিত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্তমানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তা সত্ত্বেও গরমের তীব্রতা ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া কাটছে না।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বজায় রয়েছে। চলমান এই আবহাওয়ার মধ্যেই আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আগামী ১২০ ঘণ্টার একটি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
তবে এই দীর্ঘমেয়াদী বৃষ্টির পূর্বাভাস সত্ত্বেও আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে স্বস্তি মিলছে না। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, বৃষ্টির উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি এখনই কমছে না।
বিশেষজ্ঞ ও আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। কিন্তু সামগ্রিক বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরমের এই অনুভূতি বজায় থাকবে।
ফলে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার এই বৃষ্টির পূর্বাভাস দেশের মানুষের জন্য বড় কোনো স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসছে না। ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি থেকে রক্ষা পেতে সাধারণ মানুষকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে।
সার U+09C3 সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও গরমের এই অস্বস্তিকর ভাব দূর হওয়ার কোনো নিশ্চিত তথ্য আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।