বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
বাসাবাড়িতে ঠান্ডা ভাত গরম করার সহজ ও নিরাপদ উপায়
ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা ও শক্ত ভাত কীভাবে নিরাপদে এবং ঝরঝরে করে গরম করা যায়, সে বিষয়ে কিছু জরুরি তথ্য ও কৌশল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পানি ছিটানো এবং ভাপ দেওয়ার পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
দৈনন্দিন রান্নার ক্ষেত্রে বেঁচে যাওয়া ভাত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা একটি সাধারণ অভ্যাস। তবে সাধারণ তাপমাত্রায় ফ্রিজে রাখার পর ঠান্ডা ভাত বেশ শক্ত এবং শুষ্ক হয়ে যায়। রান্নার বিজ্ঞানের ভাষায় এই প্রক্রিয়ার নাম হলো 'স্টার্চ রেট্রোগ্রেডেশন'। এই প্রাকৃতিক পরিবর্তনের কারণেই ঠান্ডা ভাত খাওয়ার অনুপযোগী বা কঠিন হয়ে পড়ে।
ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা ভাতের আগের আর্দ্রতা ও নরম ভাব ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। এর মধ্যে একটি কার্যকর উপায় হলো ভাত গরম করার সময় পাত্রে সামান্য পানি ছিটিয়ে দেওয়া। পানি ছিটানোর পর পাত্রটি ঢেকে দিলে তা ভেতরে বাষ্প তৈরি করতে সাহায্য করে।
ঢাকা পাত্রে এই প্রক্রিয়ায় তাপ প্রয়োগ করলে ভাতের ভেতরের শুষ্ক ভাব দূর হয়। পানি ও ঢাকনার সঠিক ব্যবহারের ফলে ঠান্ডা ভাত পুনরায় নরম ও খাবার উপযোগী হয়ে ওঠে।
এছাড়াও, বাষ্পীয় উত্তাপ বা ভাপ দেওয়ার পদ্ধতিটি ঠান্ডা ভাত গরম করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ফলপ্রসূ। এই বিশেষ উপায়ে ভাত গরম করলে তা অতিরিক্ত নরম বা গলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
এর ফলে ভাত আগের মতো ঝরঝরে ও সুস্বাদু থাকে। খাদ্যের গুণগত মান ও স্বাদ বজায় রেখে বেঁচে যাওয়া ভাত পুনরায় খাওয়ার জন্য এই কৌশলগুলো বেশ উপযোগী।
খাদ্য নিরাপত্তা ও সঠিক উপায়ে খাবার গরম করার এই পদ্ধতিগুলো মেনে চললে রান্না করা চালের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি এটি খাবারের সঠিক স্বাদ ও টেক্সচার বজায় রাখতেও সাহায্য করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।