বরিশালের পোর্ট রোডে সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ ও ডিসির হস্তক্ষেপ
বরিশালের পোর্ট রোডে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান সড়ক নির্মাণকাজে রাস্তার মাঝখানে দোকান রেখেই কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পরে জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বরিশালের পোর্ট রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে দোকান রেখেই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অবশেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল নগরের গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় একটি বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রায় ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে পোর্ট রোডের ৫০০ মিটার আরসিসি সড়ক এবং উভয় পাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হয়েছিল।
উন্নয়নমূলক এই কাজটি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য গত বছরের ৭ ডিসেম্বর এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর থেকেই নির্মাণকাজে নানা ধরনের কার্যক্রম শুরু হয়, যা পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের নজরে আসে।
তবে কাজ শুরুর পর থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের মাঝখানে দোকান রেখেই ঠিকাদাররা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ভবিষ্যতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়াসহ বড় ধরনের জনদুর্ভোগের আশঙ্কা দেখা দেয়।
পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুন খন্দকার স্বয়ং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি কাজের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন এবং অনিয়মের সত্যতা যাচাই করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার এই বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই স্থাপনাটি রাস্তার মধ্যেই পড়েছে। রাস্তার এলাইনমেন্ট অনুযায়ীই সড়ক নির্মাণ করা হবে। সেখানে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকলে তা অবশ্যই অপসারণ করা হবে।
জেলা প্রশাসকের এই কঠোর নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্ধারিত নকশা ও এলাইনমেন্ট অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে সড়ক ও ড্রেনেজ নির্মাণের কাজটি সম্পন্ন করা যায়।








