মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

বঙ্গোপসাগরের লাল কোরাল মাছ ও তার রঙের রহস্য

বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানে বাস করা লাল কোরাল মাছের শরীরের লাল রঙের উৎস ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ। গভীর সমুদ্রে আলো না থাকায় এবং খাদ্য হিসেবে খোলসযুক্ত প্রাণী খাওয়ার মাধ্যমে তারা এই বৈচিত্র্য অর্জন করে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া

বঙ্গোপসাগরের লাল কোরাল মাছ ও তার রঙের রহস্য

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বঙ্গোপসাগরের গভীর জলের এক অন্যতম রহস্যময় প্রাণী হলো লাল কোরাল মাছ। এটি কোনো পুকুর বা নদীর মাছ নয়, বরং এটি সমুদ্রের মহীসোপানে বাস করে। সাধারণ মিষ্টি পানির মাছের সঙ্গে এর জীবনপ্রণালী ও শারীরিক গঠনে রয়েছে বিস্তর তফাত।

এই মাছের আবাসস্থল মূলত বঙ্গোপসাগরের গভীরেই সীমাবদ্ধ। এরা সাধারণত তিরিশ থেকে দুই শ ফুট বা কখনো আরও গভীরে বসবাস করে। এই গভীরতার পরিবেশে সূর্যের আলো পৌঁছানো বেশ কঠিন এবং জলের রহস্যময় জগতের নিজস্ব কিছু প্রাকৃতিক নিয়ম রয়েছে।

বিজ্ঞানসম্মত তথ্যানুযায়ী, পানির নিচে মাত্র ১০-১২ মিটার পার হতেই লাল আলো প্রায় শেষ হয়ে যায়। এমন আলোহীন বা কম আলোর গভীর পরিবেশে লাল কোরাল মাছের বেঁচে থাকা এবং তাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।

লাল কোরাল মাছের শরীরের আকর্ষণীয় লাল রঙের উৎস হলো ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ। বিশেষ করে অ্যাস্টাক্সানথিন নামক উপাদানটি এই মাছের লাল রঙের জন্য সরাসরি দায়ী, যা তারা প্রাকৃতিকভাবে অর্জন করে থাকে।

খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমেই মূলত লাল কোরাল মাছ এই বিশেষ রঞ্জক পদার্থ পেয়ে থাকে। তারা সমুদ্রের তলদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের চিংড়ি ও খোলসযুক্ত প্রাণী খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যার ফলে তাদের শরীরে ওই লাল রঙ পুষ্ট হয়।

তবে এই চমৎকার রঙের পেছনে রয়েছে খাদ্যের সরাসরি প্রভাব। খাঁচায় বন্দী লাল কোরাল যদি প্রাকৃতিক চিংড়ি বা খোলসযুক্ত প্রাণী খেতে না পারে, তবে তাদের শরীরের সেই লাল রং ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা
বিজ্ঞান

গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা

বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।

১ মিনিট পড়া
মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি
বিজ্ঞান

মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি

নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।

১ মিনিট পড়া
পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস
বিজ্ঞান

পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

১ মিনিট পড়া
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি
বিজ্ঞান

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি

যুক্তরাজ্যে তীব্র গরম ও খরার পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বৃষ্টি ফিরে এসেছে। এর ফলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে সজীবতা ফিরতে শুরু করেছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER