বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
ফুটপাতে হলুদ ট্যাকটাইল পেভিং টাইলসের কার্যকারিতা
শহরের ফুটপাতে সাধারণ টাইলসের মাঝে হলুদ রঙের বিশেষ ট্যাকটাইল পেভিং টাইলস ব্যবহার করা হয়। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও কম দৃষ্টিশক্তির মানুষের চলাচল সহজ ও নিরাপদ করার জন্যই এই বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশের শহরের ফুটপাতে সাধারণ টাইলসের মাঝে হলুদ রঙের বিশেষ এক ধরনের টাইলস বসানো হয়, যাকে ট্যাকটাইল পেভিং বলা হয়। মূলত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও কম দৃষ্টিশক্তির মানুষের চলাচল সহজ ও নিরাপদ করার জন্যই এই বিশেষ টাইলসগুলো তৈরি করা হয়েছে।
ট্যাকটাইল শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো স্পর্শের মাধ্যমে অনুভব করা যায় এমন। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই ফুটপাতের এই টাইলসগুলো পথচারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এই হলুদ টাইলসগুলোর ওপর বিশেষ কিছু নকশা করা থাকে। এগুলোর ওপর লম্বা লম্বা উঁচু দাগ বা ছোট ছোট উঁচু বিন্দুর মতো নকশা রয়েছে, যা সহজে দৃষ্টিগোচর হয়।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও কম দৃষ্টিশক্তির মানুষেরা যেন খুব সহজেই এই টাইলসগুলোর উপস্থিতি বুঝতে পারেন, সেই জন্যই এমন নকশা করা হয়েছে। ফুটпа দিয়ে হাঁটার সময় তারা সহজেই এগুলো অনুধাবন করতে পারেন।
পথচারী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা পায়ের চাপ, জুতার তলা কিংবা তাদের ব্যবহার করা সাদা ছড়ির সাহায্যে এই উঁচু দাগ বা বিন্দুগুলো অনুভব করতে পারেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের চলাচলের পথ নির্ধারণ করতে সক্ষম হন।
এই বিশেষ হলুদ টাইলস ব্যবহারের ফলে শহরের ফুটপাতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও কম দৃষ্টিশক্তির মানুষের যাতায়াত আরও অনেক বেশি নিরাপদ ও সুগম হয়ে ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।