প্রেমে পড়ে পাকিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে কারাবন্দি ভারতীয় যুবক
প্রেমের টানে অবৈধভাবে পাকিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দी রয়েছেন ভারতের উত্তর প্রদেশের এক যুবক। ফেসবুকের সূত্রে পাকিস্তানি তরুণীর সঙ্গে পরিচয়ের পর এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি লাহোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

প্রেমের টানে ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে গিয়ে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি রয়েছেন বাদল নামের এক ভারতীয় যুবক। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভারতের উত্তর প্রদেশের আলিগড়ের নাগলা খিতকারি গ্রামের বাসিন্দা বাদল। এই পুরো ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০২২ সালে। ওই বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভারতের বাদল ও পাকিস্তানের তরুণী সানা রানির পরিচয় হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিচয় থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘ দূরত্বের এই সম্পর্কে টানেই পরবর্তীতে বাদল চরম এক সিদ্ধান্ত নেন।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের এক রাতে বাদল ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে পাকিস্তানে প্রবেশ করেন। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার এবং একসঙ্গে থাকার তীব্র আকাক্ষা থেকেই তিনি জীবনের এই বড় ঝুঁকিটি নিয়েছিলেন বলে জানা যায়।
অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের পর পাকিস্তান কর কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন বাদল। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়ার পর, ২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সদর ম্যান্ডি বাহাউদ্দিন থানায় বাদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।
গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায়, ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল আদালত বাদলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করেন। নির্ধারিত সাজার মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরও নানা জটিলতায় তিনি মুক্তি পাননি।
কারাবাসের দীর্ঘ এই সময়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তার খোঁজখবর রাখা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি পাকিস্তানের লাহোর কারাগারে ভারতীয় কর্মকর্তারা বাদলকে কনস্যুলার অ্যাকসেস প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।








