পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের দাবি
পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি)। ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের পুনর্গঠন ও বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি) এবং ইন্ডাষ্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়নের বাংলাদেশ কাউন্সিল। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইবিসির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন স্বপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মীর আবুল কালাম আজাদ, আমিরুল হক আমিন, চায়না রহমান ও কুতুব উদ্দিনের মতো শ্রমিকনেতৃবৃন্দ।
লিখিত বক্তব্যে সালাউদ্দিন স্বপন বলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোতে সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন ২০ হাজার ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে। এ পরিবর্তনের সঙ্গে বাজারদরও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পোশাক শ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণ জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। তথ্যানুযায়ী, ২০০৬ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ছিল ১ হাজার ৬৬২ টাকা ৫০ পয়সা। এরপর ২০১০ সালে ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।
পরবর্তীতে ২০১৩ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার ৩০০ টাকা। এর ৫ বছর পর ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার টাকায়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয় ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধাপে মজুরি পরিবর্তিত হলেও বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকারি খাতের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি টেনে বক্তারা বর্তমান ১২ হাজার ৫০০ টাকার ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের ওপর বিশেষ জোর দেন।
সবশেষে, শ্রমিকদের নায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের সুবিধার্থে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। নির্ধারিত ৩০ সেপ্টেম্বরের ডেডলাইনের মধ্যে নতুন মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন সম্পন্ন করার জোর দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন আইবিসির নেতৃবৃন্দ।








