ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এ সময় তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থী নির্যাতন ও ছাত্রদলের হামলার ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।
<ুপি>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের
তদন্ত কমিটির কার্যক্রম নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এই বিশাল ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ঘটনা ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।<ুপি>সংবাদ সম্মেলনে ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থী ইব্রাহিমকে প্রভোস্ট কর্তৃক শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজগুলো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। এই বিষয়ে সাদিক কায়েম বলেন, আজকে ৪৮ ঘণ্টা আমরা পার করছি, এখন পর্যন্ত আমাদের সিসিটিভি ফুটেজগুলো তারা দেখার সুযোগ করে দেয়নি।<ুপি>এদিকে
ছাত্রদলের হামলায় ফজলুল হক মুসলিম হলের ভিপি আবু নাঈম ও জিএস ইমামুল হাসান আহত হয়েছেন। এই হামলার ঘটনায় আহত জিএস ইমামুল হাসান বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শাহবাগ থানায় ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। শাহবাগ থানায় ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির জন্য তিন কার্যদিবস নির্ধারিত সময় ছিল।<ুপি>তবে চার মাস অতিক্রান্ত হলেও শাহবাগ থানার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনও প্রকাশ হয়নি। এই দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাদিক কায়েম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত কমিটি মানে হচ্ছে একটা মুলা ঝুলানো। সেই তদন্ত কমিটির মুলা আপনারা দেখতে পেয়েছেন।<ুপি>সাদিক কায়েম আরও বলেন, আপনারা সভ্য ভাষায় রাজনীতি করেন। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে যদি আপনারা মনে করেন নব্বই-পরবর্তী ক্যাম্পাসে যেভাবে সন্ত্রাসীরা রাজত্ব করেছে, টেন্ডারবাজি করেছে, গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার হরণ করেছে, সেই ধরনের পেশিশক্তির রাজনীতি করে এই ক্যাম্পাসে রাজনীতি বিনির্মাণ করবেন, তাহলে আপনারা ভুলের মধ্যে আছেন।<ুপি>সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে তিনি বলেন, এভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশে ছাত্রলীগের যে পরিণতি হয়েছিল, তার চেয়ে ভয়াবহ পরিণতি আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, প্রক্টরিয়াল টিম এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের নানা বিষয় নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন জবাবদিহিতা দাবি করা হয়।