মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

টিকটিকির বিবর্তন, বৈচিত্র্য ও সংরক্ষণ নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা

নতুন এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় টিকটিকির বিবর্তন ও উৎপত্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। স্কোয়ামাটা বর্গের এই শীতল রক্তের প্রাণীগুলোর আকার ও বৈচিত্র্য নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন গবেষকরা। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে সরীসৃপ প্রজাতির টিকে থাকার ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া

টিকটিকির বিবর্তন, বৈচিত্র্য ও সংরক্ষণ নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

টিকটিকির বিবর্তন, বৈচিত্র্য এবং তাদের সংরক্ষণ নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সাধারণ ওভারভিউ প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় এই প্রাচীন প্রাণীদের উৎপত্তি এবং তাদের বিভিন্ন প্রজাতির বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, টিকটিকি মূলত স্কোয়ামাটা বর্গের অন্তর্ভুক্ত। এরা শীতল রক্তের প্রাণী হিসেবে পরিচিত এবং পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এদের নানা প্রজাতি বসবাস করে আসছে।

গবেষণায় টিকটিকির উৎপত্তির সময়কাল সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছেন ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যালিস্যান্ড্রো পালচি। তিনি জানিয়েছেন, টিকটিকির বিবর্তনের হারের নতুন হিসাবের ওপর ভিত্তি করে আমরা এখন প্রায় ২৬ কোটি বছর আগে পার্মিয়ান যুগের শেষের দিকে এই সরীসৃপগুলোর উৎপত্তি নির্ধারণ করতে পারি। উল্লেখ্য, ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে গ্রহাণুর আঘাতে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেলেও টিকটিকি তার অনেক আগে থেকেই পৃথিবীতে টিকে রয়েছে।

টিকটিকি প্রজাতির মধ্যে আকৃতি ও ওজনে রয়েছে বিশাল বৈচিত্র্য। এর মধ্যে কোমোডো ড্রাগন বিশ্বের বৃহত্তম ও ভারী টিকটিকি প্রজাতি হিসেবে পরিচিত। একটি কোমোডো ড্রাগনের গড় ওজন ১৫৪ পাউন্ড বা ৭০ কিলোগ্রাম হয়ে থাকে। এ ছাড়া রেকর্ড অনুযায়ী সবচেয়ে বড় কোমোডো ড্রাগনটি ১০ দশমিক ৩ ফুট লম্বা ছিল। শুধু আকারেই নয়, এদের খাদ্যাভ্যাসও বেশ অদ্ভুত; কোমোডো ড্রাগন একবারে নিজের ওজনের ৮০ শতাংশ পর্যন্ত খাবার খেতে পারে।

অন্যদিকে, টিকটিকি পরিবারে যেমন বিশাল আকৃতির প্রাণী রয়েছে, তেমনি রয়েছে অতি ক্ষুদ্র প্রজাতিও। বাভারিয়ান স্টেট কালেকশন অব জুলজির ফ্রাংক গ্লাভ এই বিষয়ে মন্তব্য করে বলেছেন যে, সরীসৃপগুলোর সাধারণ শরীরের গঠন স্তন্যপায়ী ও মানুষের কাছাকাছি। তাই এই জীবগুলো এবং তাদের অঙ্গগুলো কত ছোট হতে পারে, তা দেখা সত্যি বিস্ময়কর। এই ক্ষুদ্র প্রজাতির মধ্যে জারাগুয়া লিজার্ডের লেজ ছাড়া শরীরের গড় দৈর্ঘ্য মাত্র শূন্য দশমিক ৬ ইঞ্চি। এ ছাড়া ব্রুফেসিয়া নানার পুরুষ সদস্যরা মাত্র শূন্য দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে।

বয়স ও দীর্ঘায়ুর দিক থেকেও কিছু টিকটিকি ব্যতিক্রমী। যেমন, গ্র্যান্ড কেইম্যান ব্লু ইগুয়ানা প্রায় ৫০ বছরের বেশি বাঁচে। এই প্রাণীগুলো দীর্ঘ জীবনকাল পার করতে সক্ষম হলেও বর্তমান সময়ে এদের অস্তিত্ব নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ২১ শতাংশ সরীসৃপ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

টিকটিকির এই বৈচিত্র্যময় জগত ও বিবর্তন নিয়ে কাজ করা গবেষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটি, বাভারিয়ান স্টেট কালেকশন অব জুলজি, আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রি এবং ইন্টিগ্রেটেড ট্যাক্সোনমিক ইনফরমেশন সিস্টেম (আইটিআইএস)। এসব প্রতিষ্ঠানের গবেষণালব্ধ তথ্য ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ টিকটিকি প্রজাতির সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রথম আলোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এসব বৈজ্ঞানিক তথ্য ও গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা
বিজ্ঞান

গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা

বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।

১ মিনিট পড়া
মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি
বিজ্ঞান

মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি

নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।

১ মিনিট পড়া
পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস
বিজ্ঞান

পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

১ মিনিট পড়া
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি
বিজ্ঞান

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি

যুক্তরাজ্যে তীব্র গরম ও খরার পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বৃষ্টি ফিরে এসেছে। এর ফলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে সজীবতা ফিরতে শুরু করেছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER