জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে চ্যারিকলো গ্রহাণুর রিংয়ে পরিবর্তন
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ব্যবহার করে গ্রহাণু চ্যারিকলোর রিংয়ে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। শনি ও ইউরেনাসের মাঝখানে অবস্থিত এই গ্রহাণুটি আকারে মাত্র ২৫০ কিলোমিটার চওড়া।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:১৬· ১ মিনিট পড়া

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। টেলিস্কোপটি এবার শনি ও ইউরেনাসের মাঝখানে সূর্যের চারদিকে ঘুরতে থাকা চ্যারিকলো গ্রহাণুর রিংয়ে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন শনাক্ত করেছে। আকারে অত্যন্ত ক্ষুদ্র এই মহাজাগতিক বস্তুটি নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ দীর্ঘদিনের।
স্পেনের ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অব আন্দালুসিয়ার গবেষকরা ২০২২ সালের অক্টোবরে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ দিয়ে গ্রহাণুটির ওপর নজরদারি শুরু করেন। এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন পাবলো সান্তোস-সাঞ্জ এবং ইউসেল কিলিক। তাদের এই পর্যবেক্ষণ মহাকাশ বিজ্ঞান মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চ্যারিকলো গ্রহাণুটি আকারে মাত্র ২৫০ কিলোমিটার চওড়া। এর আগে ২০১৩ সালে প্রথম চ্যারিকলোর রিং আবিষ্কৃত হয়েছিল। তখন থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুটির রিং বা বলয় নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা চালিয়ে আসছেন এবং নতুন তথ্যের সন্ধানে রয়েছেন।
সাম্প্রতিক এই পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এল২ ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে অবস্থিত। এই বিশেষ অবস্থানে থেকে টেলিস্কোপটি মহাকাশের দূরদূরান্তের বিভিন্ন রহস্য সফলভাবে ভেদ করে চলেছে।
ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সংশ্লিষ্ট গবেষকরা এই পর্যবেক্ষণ ও উপাত্ত বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ সালের অক্টোবরের পর থেকে সংগৃহীত তথ্যগুলো মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে চ্যারিকলোর গঠন সম্পর্কে নতুন ধারণা তুলে ধরছে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মাধ্যমে পাওয়া এসব তথ্য ভবিষ্যতে সৌরজগতের ছোট গ্রহাণু এবং সেগুলোর রিংয়ের বিবর্তন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে সহায়তা করবে। গবেষণাটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।








