জাতীয় মহাসড়কে অ্যাম্বুলেন্স সেবা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উদ্বোধন
জাতীয় মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তেজগাঁওয়ের সড়ক ভবনে এই সেবার উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

জাতীয় মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নতুন যানবাহন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে মহাসড়কগুলোতে নিরাপত্তা ও চিকিৎসাসেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওস্থ সড়ক ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এসব জরুরি সেবামূলক যানবাহনগুলোর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই যানবাহনগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
উদ্বোধন করা এই নতুন বহরে যুক্ত করা হয়েছে মোট ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স। এর পাশাপাশি জরুরি ও দুর্গম পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা পৌঁছানোর জন্য ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি জোরদার করার উদ্দেশ্যে ৮০টি টহল মোটরসাইকেল চালু করা হয়েছে।
জানা গেছে, এই পুরো কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে। বিশ্বব্যাংক ও সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এই উদ্যোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প বা বিআরএসপি।
এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সঙ্গে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভাগ যৌথভাবে যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের (বিআরএসপি) আওতায় যুক্ত হওয়া নতুন এই যানবাহনগুলো সড়ক দুর্ঘটনা পরবর্তী সময়ে দ্রুত জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসাসেবা প্রদানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।








