মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমায় দেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং

কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় শনিবার ছুটির দিনেও রাজধানীসহ সারা দেশে লোডশেডিং বেড়েছে। বিকেলে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি এক হাজার ৯০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাওয়ারগ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমায় দেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় শনিবার ছুটির দিনেও রাজধানীসহ রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে লোডশেডিং বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি এক হাজার ৯০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

পাওয়ারগ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ বা পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিকেল ৫টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৫৭ মেগাওয়াট এবং এই সময়ে সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ২৭৩ মেগাওয়াট। ফলে বিকেল ৫টায় মোট ঘাটতি দাঁড়ায় এক হাজার ৮৮৪ মেগাওয়াট। এর আগে বিকেল ৪টায় দেশে চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৪ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ৮৯ মেগাওয়াট এবং ঘাটতি ছিল এক হাজার ৯৩৫ মেগাওয়াট। এছাড়া বিকেল ৩টায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৯৩৪ মেগাওয়াট, সরবরাহ হয় ১৪ হাজার ৪৩ মেগাওয়াট এবং ঘাটতি ছিল এক হাজার ৮৯১ মেগাওয়াট। দিনের অন্য সময়েও ঘাটতি বজায় ছিল, যার মধ্যে দুপুর ২টায় ঘাটতি ছিল ৬৬৭ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১টায় ছিল ৭৮৬ মেগাওয়াট।

দিনের পাশাপাশি রাতের বিভিন্ন সময়েও বিদ্যুতের বড় ধরনের ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, রাত ২টায় দেশে চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৫ মেগাওয়াট, সরবরাহ হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৬ মেগাওয়াট এবং ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৯৯ মেগাওয়াট। এরপর রাত ৩টায় ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৩৫ মেগাওয়াট, যেখানে ওই সময়ে চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৮৯৮ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৮৬৩ মেগাওয়াট।

উৎপাদন হ্রাসের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করে পাওয়ারগ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের প্রকৌশলী রেজাউল করিম সমকালকে জানান, গ্যাস মোটামুটি পাওয়া গেলেও কয়লা থেকে বিদ্যুৎ কম আসছে। আদানির কাছ থেকেও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া দিনের বেলায় পটুয়াখালীর নরিংকো, পায়রা ও মাতারবাড়ী কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যায়। সন্ধ্যায় নরিংকো ও মাতারবাড়ী থেকে সরবরাহ বেড়েছে। আদানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির সুনির্দিষ্ট চিত্র তুলে ধরে জানানো হয়, রাত ১টায় আদানির বিদ্যুৎ উৎপাদন ৯৫৫ মেগাওয়াটে নেমে আসে। এর আগে রাত ১২টায় তাদের উৎপাদন ছিল এক হাজার ৩০৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে আদানির উৎপাদন কমেছে ৩৪৯ মেগাওয়াট। সাধারণত আদানির সরবরাহ ৮০০ থেকে ৯০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ছিল। এছাড়া পায়রা থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট কম বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে এবং নরিংকো ও মাতারবাড়ী থেকে মিলিয়ে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট কম বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় উৎপাদনের এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে রাজধানী ঢাকার স্থানীয় বিতরণ কোম্পানিগুলোর ওপরও। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বা ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২ হাজার ৩৩৩ মেগাওয়াট এবং তাদের ঘাটতি ছিল ২৫০ মেগাওয়াট। অপরদিকে ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি বা ডেসকোর এলাকায় চাহিদা ছিল প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট এবং ডেসকোর ঘাটতি ছিল ৪০০ মেগাওয়াট। ছুটির দিনেও এমন লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: সমকাল

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি ব্রেকিং
বাংলাদেশ

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি

সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অর্থ বিভাগ শনিবার ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

১ মিনিট পড়া
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ
বাংলাদেশ

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ

নদীতে প্রবল স্রোত ও নাব্য সংকটের কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফেরি ভিড়তে না পারায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

১ মিনিট পড়া
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতির কড়া নির্দেশ
বাংলাদেশ

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতির কড়া নির্দেশ

রাজবাড়ীর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের যথাসময়ে উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নিয়ম না মানলে শোকজ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER