দেশে ৫২৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড, চাহিদা ১৬ হাজার মেিগাওয়াট ছাড়াল
১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পিক আওয়ারে দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২১১ মেগাওয়াট। এই সময়ে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে ৫২৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পিক আওয়ারে বা সন্ধ্যার সময়ে দেশের বিদ্যুৎ খাতে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের পিক আওয়ারে সারাদেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২১১ মেগাওয়াট। এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গিয়ে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দেশজুড়ে লোডশেডিং করতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি বা পিজিসিবি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই পিক আওয়ারে সারাদেশে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে ৫২৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতের এই ঘাটতির পরিমাণ সমান ছিল না, ফলে অঞ্চলভেদে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও ভিন্ন ছিল।
তথ্য অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিদ্যুতের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি ছিল। এই অঞ্চলের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ২৫৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে। ময়মনসিংহের পর দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বিভিন্ন পরিমাণে লোডশেডিং করা হয়।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের পাশাপাশি দেশের রাজধানীসহ অন্যান্য কয়েকটি জোনেও লোডশেডিং করতে হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জোনে ১৫৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়। এছাড়া কুমিল্লা জোনে ৫০ মেগাওয়াট, খুলনা জোনে ৪৯ মেগাওয়াট এবং রাজশাহী জোনে ২০ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে দেশের সব অঞ্চলে বিদ্যুতের ঘাটতি বা লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন পড়েনি। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি বা পিজিসিবি-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখের পিক আওয়ারে চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর জোনে কোনো লোডশেডিং দিতে হয়নি। এসব অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।
১৯ আগস্টের এই ৫২৯ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের ঘটনাটি দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি এবং চাহিদার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছে। গ্রিড ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে চাহিদা মেটানোর চেষ্টার অংশ হিসেবেই এই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








