বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও লোডশেডিংয়ের চিত্র প্রকাশ পিজিসিবির
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও লোডশেডিংয়ের চিত্র প্রকাশ করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)। ১৯ আগস্ট বুধবার রাতে এই তথ্য জানানো হয়। প্রকাশিত চিত্রে ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সরবরাহের চিত্র প্রকাশ করেছে। ১৯ আগস্ট বুধবার রাতে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর পক্ষ থেকে লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সরবরাহের চিত্র জানানো হয়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জোনে বিদ্যুতের ঘাটতি ও লোডশেডিং সবচেয়ে প্রকট ছিল। এই জোনে ১ হাজার ৪২১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৫৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে।
অন্যদিকে রাজধানী ঢাকা অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল তুলনামূলক কম। ঢাকা অঞ্চলে ৬ হাজার ১৮৪ মেগাওয়াটের বিপরীতে লোডশেডিং হয়েছে ১৫৪ মেগাওয়াট।
দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে কুমিল্লা জোনে ১ হাজার ৪৫৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে। এছাড়া খুলনা জোনে ১ হাজার ৯২৪ মেগাওয়াটের বিপরীতে ৪৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। রাজশাহী জোনে ১ হাজার ৫৩৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে ২০ মেগাওয়াট।
অন্যদিকে কিছু অঞ্চলে কোনো ধরনের লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন হয়নি। প্রকাশিত চিত্র অনুযায়ী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর অঞ্চলে পিক আওয়ারে কোনো ধরনের লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন পড়েনি।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এই অঞ্চলগুলোর বিদ্যুৎ চাহিদাও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোনে ১ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট চাহিদা ছিল।
পাশাপাশি সিলেট অঞ্চলে ৬৬৮ মেগাওয়াট চাহিদা, বরিশালে ৪৮১ মেগাওয়াট চাহিদা এবং রংপুর জোনে ১ হাজার ৩৩ মেগাওয়াট চাহিদা ছিল বলে জানিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি। বুধবার রাতে জানানো এই চিত্রের মাধ্যমে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়েছে।








