এলজেড ডার্ক ম্যাটার এক্সপেরিমেন্টে অস্বাভাবিক সংকেত আবিষ্কার
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটার একটি গবেষণাগারে ডার্ক ম্যাটার এক্সপেরিমেন্টে অস্বাভাবিক সংকেত ধরা পড়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটি চেনা কোনো কণা-প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে মিলছে না। বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মতামত চেয়েছে গবেষণা দলটি।
প্রকাশ: · আপডেট: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:২৪· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটার স্যানফোর্ড আন্ডারগ্রাউন্ড রিসার্চ ফ্যাসিলিটিতে পরিচালিত এলজেড ডার্ক ম্যাটার এক্সপেরিমেন্টে একটি অস্বাভাবিক সংকেত ধরা পড়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই তথ্যে জানা গেছে যে, এই সংকেত বিজ্ঞানীদের চেনা কোনো কণা-প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে মিলছে না।
বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় ৮৫ শতাংশই ডার্ক ম্যাটার। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য গবেষকেরা সাউথ ডাকোটার এই ভূগর্ভস্থ গবেষণাগারে কাজ করে যাচ্ছেন।
এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রিচার্ড গেইটস্কেল এবং আলভিনে কামাহার মতো গবেষকেরা। এ ছাড়া ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস এই গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ জুন একটি কণা এলজেড ডিটেক্টরের ভেতরে ঢুকে একটি জেনন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আঘাত করেছিল। এই এলজেড ডিটেক্টরে ৭ টনেরও বেশি তরল জেনন রয়েছে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ঘটনাটি নিছক কাকতালীয় বা ভুল সংকেত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪০০টির মধ্যে একটি। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এই গবেষণার ফল প্রথমে জাপানে আয়োজিত একটি কণা-জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান সম্মেলনে জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত বিজ্ঞানীদের মাঝে বিষয়টি বেশ কৌতূহলের জন্ম দেয়।
এই অস্বাভাবিক সংকেত পাওয়ার পর গবেষক রিচার্ড গেইটস্কেল বলেছেন, এখন আমরা চাই, বিশ্বের অন্য বিজ্ঞানীরাও বিষয়টি নিয়ে তাঁদের মতামত দিন। এর মাধ্যমে রহস্যের জট আরও সহজে খুলবে বলে তাঁরা আশা করছেন।








