ঘরের ভেতরে জুতো পরা নিয়ে শিষ্টাচার ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিতর্ক
বাইরের জুতো ঘরের ভেতরে পরা উচিত কি না, তা নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। সম্প্রতি সিবিএস নিউজের এক জরিপে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিক ঘরে জুতো পরে প্রবেশ করেন না। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক শিষ্টাচার নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা তথ্য উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাইরের জুতার তলায় ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও ক্ষতিকর অণুজীব থাকে, যা ঘরের ভেতর সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সামাজিক শিষ্টাচার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ঘরের ভেতর জুতো পরা বা না পরা নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা মত রয়েছে।
২০২৩ সালের সিবিএস নিউজের জরিপ অনুসারে প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজন মার্কিন নাগরিক নিজেদের ঘরে জুতা খুলে রাখেন। অর্থাৎ, এই জরিপে দেখা যায় যে দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিক নিজেদের ঘরে জুতা খুলে রাখেন এবং বাইরে থেকে এসে খালি পায়ে বা ইনডোর স্লিপার ব্যবহার করেন।
সামাজিক শিষ্টাচারের দিক থেকেও বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ওই জরিপের ৯০ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন যে, কোনো বাড়িতে বেড়াতে গেলে আয়োজক বা ঘরের মালিক যদি বিনয়ের সঙ্গে জুতা খুলতে বলেন, তবে তারা তা মোটেও অযৌক্তিক মনে করবেন না।
অন্যদিকে, জুতার মাধ্যমে ঘরে প্রবেশ করা জীবাণু দূর করার উপায় নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা রয়েছে। ২০২৩ সালের ইনডোর অ্যান্ড বিল্ট এনভায়রনমেন্ট জার্নালের গবেষণা অনুযায়ী, নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করার বিভিন্ন পদ্ধতি ক্ষতিকর জীবাণু কমাতে সাহায্য করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু সঠিকভাবে মেঝে মুছে ফেললে প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া দূর করা সম্ভব। এছাড়া ঘর পরিষ্কারের সময় সঠিক নিয়মে জীবাণুনাশক ব্যবহার করলে ৯৫ থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত জীবাণু ধ্বংস করা যায়।
সব মিলিয়ে, ঘরের ভেতরে জুতো পরার অভ্যাস এবং এর ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সিবিএস নিউজের তথ্য ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে যে সচেতনতা বাড়লে ঘরের পরিবেশ আরও স্বাস্থ্যকর রাখা সম্ভব।








