মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

ইরাক অভিযানে মুসলমানদের বিজয়: প্রথম খলিফার আমল

সপ্তম শতাব্দীতে প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)-এর নির্দেশে মেসোপটেমিয়ায় মুসলিম বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। খালিদ ইবনে ওয়ালিদ ও আইয়াদ ইবনে গানামের নেতৃত্বে এই অভিযানে পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্য ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে একাধিক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জিত হয়।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

ইরাক অভিযানে মুসলমানদের বিজয়: প্রথম খলিফার আমল
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

সপ্তম শতাব্দীতে ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকর (রা.)-এর ঐতিহাসিক নির্দেশে মেসোপটেমিয়া বা বর্তমান ইরাকের ওপর মুসলিম বাহিনী এক সফল অভিযান পরিচালনা করে। সে সময় এই অঞ্চলটি পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। খলিফার এই নির্দেশ মুসলিম ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে, যার মাধ্যমে অঞ্চলটিতে ইসলামের প্রভাব বিস্তার লাভ করে।

এই সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। তৎকালীন মুসলিম সেনাপতি খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা.) এবং আইয়াদ ইবনে গানাম (রা.)-এর যৌথ নেতৃত্বে একটি দ্বিমুখী সাঁড়াশি আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়। এই সাঁড়াশি আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে ফেলা এবং মুসলিম বাহিনীর অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করা।

অভিযানের শুরুর দিকেই পারস্যের বিরুদ্ধে এক নির্ণায়ক যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা ইতিহাসে 'জাতুস সালাসিল' বা শেকলের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই ভয়াবহ সংঘর্ষে পারসিক সেনাপতি হরমুজ মুসলিম বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়ে পরাজিত ও নিহত হন। এই বিজয়ের ফলে শত্রু বাহিনীর মনোবল ভেঙে যায় এবং মুসলিমরা মেসোপটেমিয়ার ভেতরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।

এই অভিযানে মুসলিম বাহিনীর পক্ষে আরও বিশিষ্ট সাহাবি ও বীরযোদ্ধারা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে আল-মুসান্না বিন হারিসা আশ-শায়বানি (রা.) এবং আল-কা’কা ইবনে আমর আত-তামিমি (রা.) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া আল-হিরা ও আল-ফিরাদ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বনু শাইবান গোত্র এবং পূর্ব রোমান বা বাইজেন্টাইন সেনাদলও এই সংঘাতে জড়িত ছিল।

আল-হিরা বিজয়ের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এক শান্তিপূর্ণ সমঝোতা হয়। হিরার বাসিন্দারা মুসলিম প্রশাসনকে জিজিয়া কর দিতে সম্মত হন। এর বিনিময়ে মুসলিম কতৃপক্ষ তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা প্রদান করে, যা বিজিত অঞ্চলের মানুষের প্রতি সুবিচারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

পরবর্তীতে ফিরাদের প্রান্তরে রোমান ও পারস্যের যৌথ বাহিনীর সঙ্গে মুসলিমদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ প্রসঙ্গে বীর যোদ্ধা আল-কা’কা ইবনে আমর তামিমি বলেন, "ফিরাদের প্রান্তরে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম রোম ও পারস্যের বিশাল বাহিনীর... কিন্তু সংঘাত শুরু হতেই আমরা তাদের ছিন্নভিন্ন করে দিলাম, শেষ পর্যন্ত তারা খোলা প্রান্তরে মেষপালের মতো অসহায় হয়ে পড়েছিল।"

সবমিলিয়ে সপ্তম শতাব্দীতে প্রথম খলিফার আমলে পরিচালিত এই ইরাক অভিযান মুসলিম সাম্রাজ্যের পরিধি প্রসারে এবং তৎকালীন পরাশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কৌশলগত বিজয়ে অত্যন্ত নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। নিখুঁত পরিকল্পনা এবং সাহাবিদের বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
মালদ্বীপে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাবব্রেকিং
ধর্ম

মালদ্বীপে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব

মালদ্বীপের পর্যটনকেন্দ্রিক রিসোর্ট এলাকার বাইরে স্থানীয় দ্বীপগুলোতে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব রয়েছে। রাজধানী মালে শহরে ৩০টিরও বেশি মসজিদ রয়েছে এবং এখানে ১৬৫৮ সালে নির্মিত ঐতিহাসিক হুকুরু মিস্কি অবস্থিত। ইউনেসকোর ঐতিহাসিক বিবরণে মালদ্বীপে ইসলাম গ্রহণের সময়কাল ১১৫৩ খ্রিস্টাব্দ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
পিতামাতার আর্থিক অসদাচরণ ও প্রতারণায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
ধর্ম

পিতামাতার আর্থিক অসদাচরণ ও প্রতারণায় ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামে পিতামাতার প্রতি সর্বোচ্চ সদাচরণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তাদের অনৈতিক বা প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সন্তানের সম্পদে অন্যায়ভাবে দেনা তৈরি করা সম্পূর্ণ হারাম।

১ মিনিট পড়া
তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণ করলেন শেভন নামের পর্যটক
ধর্ম

তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণ করলেন শেভন নামের পর্যটক

তুরস্কের মারদিন প্রদেশের আরতুকলু জেলা মুফতির কার্যালয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন শেভন নামের এক পর্যটক। ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন।

১ মিনিট পড়া
ওহুদের ময়দানে শহীদ হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)
ধর্ম

ওহুদের ময়দানে শহীদ হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)

ওহুদ যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে শহীদ হন হজরত হানজালা ইবনে আবি আমির (রা.)। অপবিত্র অবস্থায় গোসল না করেই রণক্ষেত্রে যোগ দেওয়ায় ফেরেশতারা তাকে গোসল করিয়েছিলেন বলে জানান মহানবী (সা.)। এই অলৌকিক ঘটনার কারণে তিনি 'গাসিলুল মালাইকা' বা ফেরেশতা কর্তৃক গোসলপ্রাপ্ত হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER