আশুলিয়ায় দম্পতি ও মৃত ভ্রূণ এবং পাঞ্জাবে গায়কের লাশ উদ্ধার
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দম্পতি ও মৃত ভ্রূণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় নিজ বাড়ি থেকে এক গায়কের পচাগলা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া এলাকায় মর্মান্তিক এক ঘটনা ঘটেছে। সাভারের আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার একটি ভবনের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে এক দম্পতি ও একটি মৃত ভ্রূণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই ঘটনা ঘটে। প্রথম আলো, ইন্ডিয়া টুডে, সিআইডি এবং ডিবি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।
নিহত দম্পতির মধ্যে নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তার নাম নাজমা আক্তার এবং তার স্বামীর নাম আলমগীর হোসেন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার দিন নিহত নাজমার বোন শাপলা বেগম সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানান।
বোন শাপলা বেগম গণমাধ্যমকে জানান, "আমরা দুই বোনই জামগড়ার একই কারখানায় কাজ করি। আজ শনিবারও সে অফিসে যায়নি। তখন ভাবছিলাম, আমার বোন তো পোয়াতি, হয়তো কোনো সমস্যা হয়েছে, তাই কাজে যায়নি।" শাপলার এই বক্তব্যের মাধ্যমেই মূলত ঘটনার প্রাথমিক সূত্রপাত জানা যায়।
এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি এবং গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবি তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঘটনাস্থলের পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও আলামত নিয়ে কথা বলেছেন পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
ঘটনার বিষয়ে সিআইডির মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, "হত্যাকাণ্ডের আগে বা পরে ওই নারীর গর্ভপাত হয়ে আনুমানিক পাঁচ মাস বয়সী ভ্রণটি বের হয়ে যায়। ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত ও পরিস্থিতি দেখে এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।" পুলিশ এই ঘটনার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে একই দিনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আরেকটি মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। ভারতের পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় নিজ বাড়ি থেকে এক জনপ্রিয় শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত এই ব্যক্তি একজন পাঞ্জাবি গায়ক ও গীতিকার ছিলেন।
পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ওই শিল্পীর নাম বলজিৎ সিং। তার মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় পাওয়া যায়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে তথ্য প্রকাশ করেছে। এছাড়া এই পুরো ঘটনাপ্রবাহে নাহিদ, মিজানুর রহমান এবং সিফাত নামের ব্যক্তিরাও সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।








