প্রথম আন্তর্জাতিক আদিবাসী নারী ও কন্যা দিবস পালিত
বিশ্বে আদিবাসী নারী ও কন্যার সংখ্যা ১৯ কোটি। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথমবারের মতো ৫ সেপ্টেম্বর পালিত হলো আন্তর্জাতিক আদিবাসী নারী ও কন্যা দিবস।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বিশ্বজুড়ে প্রথমবারের মতো পালিত হলো জাতিসংঘ-ঘোষিত প্রথম আন্তর্জাতিক আদিবাসী নারী ও কন্যা দিবস। দিনটি উদযাপনের জন্য ৫ সেপ্টেম্বর তারিখটি নির্ধারিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পাশাপাশি বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর রেজোল্যুশন এ/আরইএস/৮০/১০ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতিবছর ৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী নারী ও কন্যা দিবস’ পালনের জন্য সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান জানিয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারই প্রথম এই বিশেষ দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হলো।
বিশ্বে আদিবাসী নারী ও কন্যার আনুমানিক সংখ্যা ১৯ কোটি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অধিকার, সুরক্ষা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের বিষয়টি এই আন্তর্জাতিক দিবসের মাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে। দিনটি পালনে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি দেশীয় পর্যায়েও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস তাঁর বাণীতে বলেছেন, আদিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেমের রক্ষক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করে। তারপরও আদিবাসী মানুষের অধিকার ও জীবন-জীবিকা নানা হুমকির সম্মুখীন।
আন্তোনিও গুতেরেস আরও উল্লেখ করেন, অন্যান্য অ-আদিবাসী জনগণের তুলনায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃ ও শিশু–সংক্রান্ত জটিলতা এবং মৃত্যুহার অনেক বেশি। জাতিসংঘ তার সদস্যরাষ্ট্রগুলো এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে অধিকারভিত্তিক আদিবাসী স্বাস্থ্য অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আদিবাসী নারীরা যেন নিজের শরীর, স্বাস্থ্য ও যত্ন সম্পর্কে অবহিত থাকেন। আসুন আমরা আদিবাসী ধাত্রীদের এবং তাঁদের সম্প্রদায়ের বিকাশে ও উন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন, তা নিশ্চিতকরণে একসঙ্গে কাজ করি।
ইউএন উইমেন, ফিমি (ইন্টারন্যাশনাল ইনডিজিনাস উইমেন ফোরাম), আইডব্লিউজিআইএ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা যৌথভাবে বা পৃথক বাণীতে আদিবাসী নারী ও কন্যাদের অধিকারের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছে। এসব সংস্থার যৌথ বা একক ঘোষণায় বলা হয়েছে, আমাদের ইতিহাস মরবে না, আমাদের কণ্ঠও স্তব্ধ হবে না।








