আশুলিয়ায় তিন মরদেহ উদ্ধার ও গাজায় ৫৫ জনের মৃতদেহ মিলল
সাভারের আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের গাজা সিটিতে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে মালের পরিবারের ৫৫ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গত ৩০ জুলাই ২০২৪ তারিখে দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে তিনটি পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশের পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি মাঠে নামে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়ার একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি তালাবদ্ধ ঘরের ভেতর থেকে অত্যন্ত রহস্যজনক পরিস্থিতিতে ওই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে ঠিক কী কারণে বা কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি।
উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও সিআইডি যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একই দিনে আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা সিটির জায়তুন এলাকায় ইসরায়েলি বর্বর হামলার শিকার একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের অবশিষ্টাংশ থেকে বড় ধরনের উদ্ধারকাজ চালানো হয়।
ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মীরা ওই ধ্বংসস্তূপ থেকে অত্যন্ত মর্মান্তিক অবস্থায় ৫৫ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। নিহত এই ব্যক্তিরা সবাই একই পরিবারের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গাজার এই হতভাগ্য পরিবারটির নাম মালের পরিবার। ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ ও নৃশংস হামলায় ধ্বংস হওয়া ওই ভবনের নিচে চাপা পড়েছিল মালের পরিবারের সদস্যরা।
উদ্ধার হওয়া ৫৫ জনের মরদেহ ও দেহাবশেষ এবং অন্যান্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই পরিবারটিতে মূলত ৬০ জনের বেশি সদস্য ছিলেন। ইসরায়েলি হামলায় পুরো পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।








