মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

আঙুল ফোটালে কি সত্যিই বাতের রোগ হয়? জেনে নিন বিজ্ঞান কী বলে

আঙুলের গাঁট বা জোড় ফোটানোর অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। এর ফলে কি বাতের রোগ বা আর্থ্রাইটিস হয়? বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এই বিষয়ে নানা তথ্য উঠে এসেছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া

আঙুল ফোটালে কি সত্যিই বাতের রোগ হয়? জেনে নিন বিজ্ঞান কী বলে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

আমাদের অনেকেরই আঙুলের জোড় বা গাঁট ফোটানোর একটি সাধারণ অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু এই অভ্যাসটি শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর এবং এর সঙ্গে বাতের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌতূহল ও গবেষণা চলে আসছে। বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নে এই সাধারণ অভ্যাসটির স্বাস্থ্যগত প্রভাব এবং আর্থ্রাইটিসের সঙ্গে এর সম্পর্কের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে।

বিজ্ঞান বলছে, আঙুল মোচড়ালে বা ফোটালে জয়েন্টের ভেতরের সাইনোভিয়াল তরলের চাপ কমে যায়। এই প্রক্রিয়ায় তরলের ভেতর থেকে গ্যাস বের হয়ে ছোট ছোট বুদবুদ তৈরি হয় এবং এর ফলেই পরিচিত 'কট' বা ফোটার শব্দের সৃষ্টি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, একটি গাঁট ফোটানোর সময় যে শব্দ হয়, তার তীব্রতা প্রায় ৮৩ ডেসিবেল পর্যন্ত হতে পারে।

এই বিষয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা গবেষণা চালানো হয়েছে। ১৯৭৫ সালের একটি গবেষণায় নিয়মিত গাঁট ফোটান এমন ২৮ জন মানুষের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের আরেকটি গবেষণায় দীর্ঘ সময় ধরে গাঁট ফোটানোর অভ্যাস রয়েছে এমন ৭৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে কাজ করা হয়। এছাড়া অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ২১৫ জন রোগীর ওপরও গবেষণা চালানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের আরেকটি গবেষণায়ও এই বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

এই বিষয়ে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যক্তিগত একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন ডোনাল্ড উঙ্গার নামের এক ব্যক্তি। তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে নিজের বাঁ হাতের গাঁট দিনে অন্তত দুবার ফোটাতেন, অথচ তার ডান হাতটি সম্পূর্ণ অক্ষত রেখেছিলেন এবং কখনো সেটি ফোتانনি। দীর্ঘ এই সময় পর ১৯৯৮ সালে ৭২ বছর বয়সে তিনি নিজের দুই হাতের এক্স-রে করান এবং পরীক্ষা করে দেখেন যে তার কোনো হাতেই আর্থ্রাইটিসের কোনো লক্ষণ বা বাতের প্রভাব তৈরি হয়নি।

সার্বিকভাবে, আঙুল ফোটানোর সময় সাইনোভিয়াল তরলের চাপ কমে গ্যাস থেকে বুদবুদ সৃষ্টির মাধ্যমে যে শব্দ হয়, তা নিয়ে প্রচলিত ধারণার বিপরীতে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে ভিন্ন চিত্রই দেখা গেছে। তবে এ বিষয়ে গবেষকদের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা আজও অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা
বিজ্ঞান

গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা

বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।

১ মিনিট পড়া
মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি
বিজ্ঞান

মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি

নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।

১ মিনিট পড়া
পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস
বিজ্ঞান

পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

১ মিনিট পড়া
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি
বিজ্ঞান

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি

যুক্তরাজ্যে তীব্র গরম ও খরার পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বৃষ্টি ফিরে এসেছে। এর ফলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে সজীবতা ফিরতে শুরু করেছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER