১৬ ডিসেম্বরেই শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল সফট ওপেনিং
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর সফট ওপেনিং করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে কাজের মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে সময়সীমা এক-দুই মাস বাড়ানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের সফট ওপেনিং এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে সচিবালয়, ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে নানা দিক পর্যালোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল সংক্রান্ত পরিকল্পনা স্পষ্ট করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি ও তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরা হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর এই থার্ড টার্মিনালের সফট ওপেনিং করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, তবে এখনও সরকার ১৬ ডিসেম্বরেই সফট ওপেনিং করার পরিকল্পনায় অটুট রয়েছে বলে জোর দিয়ে বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরও যোগ করেন, কিন্তু এখনও আমরা ১৬ ডিসেম্বরেই সফট ওপেনিং করব, এটাতেই আমরা এখনও স্টিক রয়েছি। তবে কাজের মান শতভাগ নিশ্চিত করার ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও পরিষ্কার করে জানান যে, কাজের মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে সময়সীমা এক-দুই মাস বাড়ানো যেতে পারে। অর্থাৎ নির্ধারিত তারিখের পাশাপাশি গুণগত মান বজায় রাখাকেও সমান অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্পের কাজের পরবর্তী ধাপের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, জাপানিরা আগামী ২৫ তারিখে বিড সাবমিট করবে। এই বিড প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে কন্ট্রাক্ট সাইন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।








