এ বছর ১০ বিমান লিজ ও নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা মন্ত্রীর
সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ভবিষ্যৎ ফ্লাইট পরিকল্পনা, উড়োজাহাজ লিজ এবং বিমানবন্দর উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। আইকাওর মান অর্জন সাপেক্ষে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সচিবালয়ে তাঁর প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই বৈঠকে দেশের বিমান চলাচল খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী সরকারের নেওয়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের রূপরেখা তুলে ধরেন।
বর্তমান সংকট কাটাতে সরকার বড় ধরনের পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সংকট কাটাতে পর্যায়ক্রমে অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এ বিষয়ে চুক্তি সই করে পরের বছর থেকে নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
নিউইয়র্ক রুটে ফ্লাইট চালুর দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (আইকাও) নির্ধারিত মান অর্জনের ওপর এটি নির্ভর করছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, "আইকাওর নির্ধারিত মান অর্জনের ওপর নির্ভর করছে। প্রয়োজনীয় গ্রেড অর্জন করা গেলে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকেই নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।"
বিমানবন্দর অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজও এগিয়ে চলেছে। এই টার্মিনালের বিষয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি মাসের ২৫ তারিখে দরপত্র জমা দেবে বলে নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রী। চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কাজের গতি আরও বাড়বে।
তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধনের সময়সীমা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, "চুক্তি সইয়ের পর হাতে প্রায় সাড়ে তিন মাস সময় থাকবে। এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে সম্ভব হলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং করার পরিকল্পনা রয়েছে।" এই টার্মিনাল চালু হলে যাত্রীসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া দেশের অন্যান্য আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মধ্যে ঈশ্বরদী বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে জানানো হয় যে, এই বিমানবন্দরে বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার ফুট রানওয়ে রয়েছে। বিমান চলাচলের পরিসর বাড়াতে এই রানওয়ে আরও প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
সব মিলিয়ে দেশের বিমান চলাচল খাতকে আরও গতিশীল ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের এই প্রথম কার্যদিবসের প্রেস ব্রিফিংয়ের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে দেশের এভিয়েশন খাতের অগ্রগতির একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া গেছে।








