স্বাস্থ্যসেবায় বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অনুপস্থিতিতে বেতন বন্ধের নির্দেশ
সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি এবং জিও-ফেন্সিভ প্রযুক্তি চালur করা হবে। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বেতন বিল ছাড় করা হবে না।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একটি কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করছে।
গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় স্বাস্থ্য খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সেবার মান বাড়াতে বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি এবং জিও-ফেন্সিভ প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।
এছাড়া সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএসের অধীনে একটি রিয়েল টাইম ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড স্থাপন করা হবে। এই ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে সার্বিক কার্যক্রম নজরদারি করা সম্ভব হবে।
নতুন এই নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে, তার সেই অনুপস্থিতির বিষয়টি পুরোপুরি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতন বিল ছাড় করা হবে না।
সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনিয়ম ও অনুপস্থিতি রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।








