সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরিত
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শাসকেরা মক্কায় একটি নতুন ত্রিদেশীয় সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ২০২৫ সালের ৯ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে ন্যাটোর আদলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শাসকেরা সৌদি আরবের মক্কায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ত্রিদেশীয় সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ২০২৫ সালের ৯ আগস্ট এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি বড় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই চুক্তিটি 'মক্কা চুক্তি' নামে পরিচিতি লাভ করেছে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এই তিন দেশের শরিকদের মধ্যে কেউ যদি আক্রান্ত হয়, তবে তা তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি মূলত পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অনুরূপ। এর মাধ্যমে দেশ তিনটি একে অপরের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ত্রিদেশীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের আরেকটি দ্বিপক্ষীয় সামরিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এই নতুন ত্রিদেশীয় সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো, যা এই অঞ্চলে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
এই সামরিক চুক্তির বিষয়ে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এই চুক্তিটি অন্য দেশের জন্যও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে অন্য কোনো দেশ চাইলে এই জোটে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
এদিকে, এই চুক্তি স্বাক্ষরের একেবারে আগমুহূর্তে ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি ফোন করেছিলেন। এই ফোনালাপের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে এসেছে।
এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স, এএনআই এবং জেরুজালেম পোস্টের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার সংবাদ পরিবেশন করেছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক রাজনীতিতে এই চুক্তির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।








