সৌদি আরবে বিজয়ী হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়াকে সংবর্ধনা
সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ১৩৩ দেশের মধ্যে ১৫ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়াকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরে বরিশালের চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জনকারী হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়াকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ২২ আগস্টের এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তিনি এই অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় শনিবার দুপুরে। বরিশালের চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ প্রাঙ্গণে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশের কওমি অঙ্গন ও মাদরাসা শিক্ষার সঙ্গে জড়িত শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং কৃতী হাফেজকে সম্মাননা জানান।
এবারের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশ অংশ নেয়। অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই আসরে হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়া ১৫ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন। তার এই সাফল্যে পুরো দেশ ও জাতি গর্বিত হয়েছে বলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়।
একই প্রতিযোগিতায় দেশের আরেক কৃতি সন্তান সাফল্য অর্জন করেছেন। হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফী সৌদি আরবের এবারের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। দুই তরুণ হাফেজের এই জোড়া সাফল্য দেশের জন্য এক বিরাট অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শনিবারের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বক্তারা হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়া এবং হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফীর সাফল্য নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতি কাইয়ুম মোল্লা, মাওলানা নুরুল আমিন, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, হাসিব আর রহমানসহ বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক ও প্রতিনিধিরা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চরমোনাই পীরসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এবং তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের কোরআনে হাফেজদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের লাল-সবুজ পতাকা সমুন্নত রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
উল্লেখ্য, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ। অনুষ্ঠানে রায়হান মাদরাসার শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।








