সাফারি পার্ক থেকে মালিকদের কাছে ফিরল দুটি হাতি
প্রায় দুই বছর আগে নির্যাতন ও টাকা তোলার অভিযোগে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া সম্রাট ও নিহারকলি নামের দুটি হাতি গত ১২ আগস্ট গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক থেকে তাদের মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মুচলেকা নিয়ে হাতি দুটি ফেরত দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

প্রায় দুই বছর আগে নির্যাতন ও টাকা তোলার অভিযোগে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া সম্রাট ও নিহারকলি নামের দুটি হাতি অবশেষে তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ১২ আগস্ট গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক থেকে এই দুটি হাতি আনুষ্ঠানিকভাবে মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন চালানো এবং হাতি দিয়ে জোরপূর্বক টাকা তোলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বন বিভাগ এই হাতি দুটিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানেই হাতি দুটির লালন-পালন ও দেখভাল করা হচ্ছিল।
গত ১২ আগস্ট গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক থেকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হাতি দুটি তাদের সংশ্লিষ্ট মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরের এই প্রক্রিয়ায় বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্রাট নামের হাতিটিকে বুঝে নেন তার মালিক মনির মিয়া। অন্যদিকে, নিহারকলি নামের হাতিটিকে গ্রহণ করেন এর মালিক আব্দুল মজিদ। এ সময় হাতি দুটির শারীরিক অবস্থা এবং সামগ্রিক বিষয়াদি বিবেচনায় নিয়ে মালিকপক্ষের কাছে সেগুলোকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
তবে হাতি দুটি মালিকদের হাতে তুলে দেওয়ার আগে বন বিভাগের পক্ষ থেকে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়। মালিকপক্ষের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট মুচলেকা নেওয়া হয়েছে যে, এখন থেকে এই হাতিগুলো দিয়ে কোনোভাবেই আর টাকা তোলা যাবে না এবং হাতি দুটির ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন চালানো যাবে না।
উল্লেখ্য, এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে তারেক রহমান, নজরুল ইসলাম এবং ছানাউল্যা পাটওয়ারীসহ সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। বন বিভাগের এই পদক্ষেপের ফলে দীর্ঘ দুই বছর পর হাতি দুটি তাদের নিজ মালিকদের সান্নিধ্যে ফিরে গেল।








