শুক্রবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ব্লাড মুন
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় স্থায়ী এই মহাজাগতিক ঘটনায় চাঁদ তামাটে-লাল রঙে দেখা দেবে, যা ব্লাড মুন নামে পরিচিত। তবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার অধিকাংশ এলাকা থেকে এটি সরাসরি দেখা যাবে না।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় একটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বা ব্লাড মুন সংঘটিত হতে যাচ্ছে। মহাজাগতিক এই ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পরিলক্ষিত হবে। নাসা জানিয়েছে, এই চন্দ্রগ্রহণের পুরো সময়কাল হবে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি।
ঘটনাটির বিবরণ অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। এই বিশেষ মহাজাগতিক মুহূর্তে পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করবে। এর ফলে চাঁদের ওপর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছাতে বাধা তৈরি হবে।
তবে আলো সম্পূর্ণভাবে আটকে না গিয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে কিছু সূর্যালোক চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছাবে। এই আলো প্রতিফলিত হওয়ার কারণে চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যাওয়ার পরিবর্তে এক ধরণের তামাটে-লাল রঙ ধারণ করবে, যাকে সাধারণত 'ব্লাড মুন' বলা হয়ে থাকে।
গ্রহণের দৃশ্যমানতা সম্পর্কে জানা গেছে, সবচেয়ে ভালোভাবে চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। তবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার অধিকাংশ এলাকা থেকে এই ঘটনাটি সরাসরি দেখা যাবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যগ্রহণের মতো চন্দ্রগ্রহণ দেখার সময় খালি চোখে তাকানো সম্পূর্ণ নিরাপদ। ফলে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল থেকে দৃশ্যমান হবে, সেখানকার মানুষ কোনো ধরনের চোখের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি ছাড়াই এই দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।
এদিকে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক অন্যান্য ঘটনার মধ্যে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি আরেকটি সূর্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২০ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির রাতে পরবর্তী চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে।








