লক্ষ্মীপুরে শ্রবণপ্রতিবন্ধকতা সচেতনতা ও দক্ষতা উন্নয়ন সভা
লক্ষ্মীপুর টাউন হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক কর্মসংস্থান এবং শ্রবণপ্রতিবন্ধকতা সচেতনতা বিষয়ক একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

লক্ষ্মীপুর টাউন হলে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক কর্মসংস্থান এবং শ্রবণপ্রতিবন্ধকতা সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন শ্রেণिपেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি টাউন হল প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সামনে প্রতিবন্ধকতা ও সংগ্রাম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনসংগ্রাম ও সমাজের দায়িত্বের বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে আসে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, 'যার চোখ আছে, আমরা বুঝি না যে আমরা কতটা সৌভাগ্যবান। এর মধ্যেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের সঙ্গে লড়াই করে, যুদ্ধ করে টিকে আছেন। তাদের এই সংগ্রামকে আমাদের সম্মান করতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে সমাজে টিকে আছেন। তাদের কষ্ট ও সংগ্রাম উপলব্ধি করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।' অনুষ্ঠানে সমাজে তাদের অবদান এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এই সচেতনতামূলক আয়োজনে আরও বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিগণের মধ্যে ছিলেন শাহাবুদ্দিন সাবু, মো. ইউসুফ, আবুল কালাম আজাদ, আরিফুল ইসলাম এবং তানজিনুজ্জামান তিষান। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনে ও সম্পৃক্ততায় বিভিন্ন স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা যুক্ত ছিল। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর টাউন হল, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং ক্লিয়ার হিয়ারিং সলিউশন্স উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
সবশেষে, শ্রবণপ্রতিবন্ধকতা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজের মূলধারায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয় এই অনুষ্ঠানে।








