রূপপুর প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেইজের অস্থায়ী ভবনে আগুন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেইজে একটি অস্থায়ী ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে মূল স্থাপনার বাইরে হওয়ায় এই ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেইজে অবস্থিত একটি অস্থায়ী ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার মধ্যরাতে বা ভোরের দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং পরবর্তীতে গত ৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। দেশের অন্যতম জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এই মেগা প্রকল্পের নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে এই ঘটনাটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি) ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, অগ্নিকাণ্ডের স্থানটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল স্থাপনার বাইরে অবস্থিত ছিল। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সম্ভাব্য বড় ধরনের বিপর্যয় বা বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করেছেন যে, মূল স্থাপনার বাইরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব মূল নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমে পড়েনি। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পের অন্যান্য কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতেই অব্যাহত রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং প্রকল্প কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো ব্যক্তি হতাহত হননি। ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বাহিনী সময়মতো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি বা শারীরিক ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কর্মী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, ঠিক কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটেছিল এবং এতে ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নিরূপণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।








