রাজশাহীতে সারের পর্যাপ্ত মজুত, অনিয়মে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। বুধবার দুপুরে চৌদ্দপাই ও কাটাখালী এলাকার ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় অনিমের দায়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা ও ১ হাজার ২৯৩ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজশাহীতে সারের বাজার পরিদর্শন করেছেন প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা। ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এই বাজার পরিদর্শনে অংশ নেন। সাম্প্রতিক সময়ে সার নিয়ে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ কর্মকর্তারা বুধবার দুপুরে চৌদ্দপাই ও কাটাখালী এলাকার ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেন। এই সময় মেসার্স মোসলেম মোল্লা ট্রেডার্স এবং মেসার্স নাহার এন্টারপ্রাইজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এই পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে বাজারে সারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হয়। জানানো হয় যে, রাজশাহীতে বর্তমান গুদামগুলোতে ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। এই বিশাল পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই।
পরিদর্শন শেষে সরকারের তরફ থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, "রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই।" তিনি আরও হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "কৃত্রিম সংকট, অবৈধ মজুত বা কালোবাজারির চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অভিযান চলাকালে বাজারে কিছু অনিয়মের সত্যতাও পাওয়া যায়। অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্টদের ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া এই ডিলারদের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ২৯৩ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলেই সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
উক্ত বাজার পরিদর্শন ও অভিযানে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজী শহিদুল ইসলাম, মো. ইউসুফ আলী, মোস্তফা কামাল হোসেন, মো. ইবনুল আবেদীন এবং এমএ মান্নান উপস্থিত ছিলেন। তারা পুরো বাজার ঘুরে ডিলারদের বিক্রয় কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন এবং সাধারণ কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্যে ও সহজে সার পায়, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।








