রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে খাবারের ক্রম পরিবর্তনের কার্যকারিতা
খাবারের শুরুতে সবজি, পরে প্রোটিন ও ফ্যাট এবং শেষে কার্বোহাইড্রেট খেলে রক্তে গ্লুকোজ শোষণের গতি ধীর হয়। এই ফুড সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে রক্তে শর্করার ওঠানামা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি একমাত্র পদ্ধতি নয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে 'ফুড সিকোয়েন্সিং' বা খাবারের ক্রম পরিবর্তনের কার্যকারিতা নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতন মহলে আলোচনা রয়েছে। প্রতিদিনের খাবারের আইটেমগুলো কোন অর্ডারে বা ক্রমানুসারে খাওয়া হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে শরীরের ভেতরে গ্লুকোজ শোষণের গতি পরিবর্তিত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিয়মের শুরুতে যদি সবজি বা সালাদ রাখা হয় এবং তা আগে খাওয়া হয়, তবে তা শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সবজির পর প্রোটিন ও ফ্যাট এবং সবশেষে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার গ্রহণ করার এই পদ্ধতি বেশ কার্যকর।
খাবারের এমন সুনির্দিষ্ট ক্রম বজায় রাখলে শরীরের ভেতরে রক্তে গ্লুকোজ শোষণের গতি বেশ ধীর হয়। এর ফলে হঠাৎ করে শরীরে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার যে ঝুঁকি থাকে, তা কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হয়।
ফুড সিকোয়েন্সিং বা খাবারের এই ক্রম পরিবর্তনের মাধ্যমে মূলত খাবারের পর রক্তে শর্করার ওঠানামা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যারা রক্তের শর্করা নিয়ে চিন্তিত, তাদের জন্য এটি একটি সহায়ক কৌশল হতে পারে।
তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, ফুড সিকোয়েন্সিং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র পদ্ধতি নয়। ডায়াবেটিস বা শর্করার মাত্রা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেবল এই পদ্ধতির ওপর নির্ভর করা যাবে না।
এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ পন্থার জন্য সবসময় চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্যান্য নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি এই কৌশল অনুসরণ করা যেতে পারে।








