
কোমর ব্যথা প্রতিরোধে সঠিক ভঙ্গি ও শরীরচর্চার ভূমিকা
কোমর ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা যা দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা কমায় ও মানসিক চাপ বাড়ায়। সঠিক ভঙ্গি এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে এই সমস্যা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।
ট্যাগ

কোমর ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা যা দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা কমায় ও মানসিক চাপ বাড়ায়। সঠিক ভঙ্গি এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে এই সমস্যা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

কফি পান করে ২০ মিনিটের মতো স্বল্প সময়ের ঘুমানোর কৌশল হলো কফি ন্যাপ। এটি শরীর ও মস্তিষ্ক সজাগ রাখতে এবং ক্যাফেইনের উদ্দীপক প্রভাব কাজে লাগাতে সাহায্য করে।

চোখের নিচের কালচে ভাব বা ডার্ক সার্কেল দূর করার জন্য জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ২১ দিন নিয়ম মেনে চললে চোখের চারপাশের ত্বকের উন্নতি হতে পারে।

খাবারের পর তন্দ্রাভাব বা ঘুম ঘুম ভাবকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে পোস্টপ্রান্ডিয়াল সোমনোলেন্স বলা হয়। সাধারণত খাবার খাওয়ার এক থেকে দুই ঘণ্টা পর এই ভাব বেশি দেখা দেয়। নির্দিষ্ট কিছু খাবার এই তন্দ্রাভাব তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

মশার কামড় থেকে বাঁচতে সচেতনতামূলক প্রতিবেদনে ফুল প্যান্ট পরার কার্যকারিতা ও বিভিন্ন সতর্কতার কথা বলা হয়েছে। নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের গবেষণা এবং জমে থাকা পানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।

সহজ কিছু দৈনিক অভ্যাসের মাধ্যমে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমানো সম্ভব। ৪-৭-৮ শ্বাসপ্রশ্বাস পদ্ধতি, প্রাকৃতিক রোদ এবং সুগন্ধি গ্রহণের মতো কৌশলগুলো মন ও শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

খালি পায়ে মাটি বা ঘাসের সংস্পর্শে আসাকে আর্থিং বা গ্রাউন্ডিং বলা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি পায়ের পেশি শক্তিশালী ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়।

জ্বরের সময় গোসল করা নিয়ে অনেকেরই নানা ধরনের ভীতি বা দ্বিধা থাকে। তবে জীবনধারা বিষয়ক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জ্বরের মধ্যে গোসল করা একেবারে নিষিদ্ধ নয়।

অফিসে একই ঘরে বসে কাজ করার সময় এসির তাপমাত্রা নিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হতে পারে। বয়স, শারীরিক গঠন, পোশাক, দৈহিক সক্রিয়তা এবং ব্যক্তিগত অভ্যাসের কারণে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ভিন্ন হয়ে থাকে।

ঘুম থেকে ওঠার পর সকালের নাশতা খাওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তবে সকাল ৮ থেকে ১১টার মধ্যে নাশতা শেষ করা ভালো।

খাবারের শুরুতে সবজি, পরে প্রোটিন ও ফ্যাট এবং শেষে কার্বোহাইড্রেট খেলে রক্তে গ্লুকোজ শোষণের গতি ধীর হয়। এই ফুড সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে রক্তে শর্করার ওঠানামা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি একমাত্র পদ্ধতি নয়।

অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় হিসেবে পাঁচটি খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতীয় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তিনি এই খাবারগুলোর উপকারিতা তুলে ধরেছেন।