যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও বাণিজ্য মন্ত্রীর বৈঠক
আজ সোমবার ঢাকার মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। বৈঠকে বাংলাদেশের এফএসআরইউ প্রকল্প, বাণিজ্য এবং জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আজ সোমবার রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে অংশ নেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ (FSRU) প্রকল্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এই এফএসআরইউ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জ্বালানি খাতের এই সহযোগিতা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি খাতের এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। নিশ্চিত তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২৬ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ১১৭টি এলএনজি কার্গো বা জাহাজভর্তি এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই জ্বালানি আমদানি দেশের ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন দেশের বড় অবকাঠামো প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বড় অবকাঠামো প্রকল্পে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বাড়বে।”
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের জবাবে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন। মার্কিন কোম্পানিগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “এফএসআরইউ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সরবরাহের সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।”
বর্তমান সরকারের ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, “সরাসরি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় ক্রয়প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফিরেছে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়েছে।”
উক্ত বৈঠকে মন্ত্রী ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পাশাপাশি Abdun Naser Khan, মো. মুস্তাফিজুর রহমান এবং এঞ্জেলো পালাজ্জেলো সহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মার্কিন দূতাবাস, এফবিসিসিআই এবং গানভর ইউএসএ এলএলসি-এর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ও ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।








