যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার এই সফরকালে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:১৭· ১ মিনিট পড়া

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। ১৩ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, এই সফরে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন। প্রধানমন্ত্রী এই সফরে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।'
নিউইয়র্ক সফরকালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশν ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বৈঠকের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিশেষ আলোচনার বিষয়টিও নির্ধারিত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক বা সাক্ষাতের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। হুমায়ুন কবির এ প্রসঙ্গে বলেন, 'ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। উনি যখন যাবেন, যাদের সঙ্গেই দেখা বা বৈঠক হবে আপনাদেরকে জানানো হবে। এটা কোনো গোপন কিছু হবে না, কাজেই আপনাদেরকে জানানো হবে।'
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর এই নিউইয়র্ক সফর ও সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং দ্বিপক্ষীয় আলাপ-আলোচনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বমঞ্চে দেশের নতুন অবস্থান এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি জোরালোভাবে তুলে ধরার এটি একটি বড় সুযোগ।
সফর শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, এই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন এবং পার্শ্ববৈঠকগুলো দেশের স্বার্থ রক্ষায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো সমর্থন আদায়ে বিশেষ অবদান রাখবে।








