যুক্তরাজ্যে এল নিনোর প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টির ও বন্যার ঝুঁকি
যুক্তরাজ্যে আসন্ন শরৎকালে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস (মে অফিস)। প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আবহাওয়া আরও বেশি অস্থিতিশীল হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৭· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যে আসন্ন শরৎকালে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস (মে অফিস)। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে লন্ডন থেকে প্রাপ্ত খবরে জানানো হয়, প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির প্রভাবে যুক্তরাজ্যে এই ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এল নিনো মূলত একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা, যা ট্রপিক্যাল প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উষ্ণ থাকার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়। প্রশান্ত মহাসাগরের এই শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি সাধারণত একটি আর্দ্র ও ঝোড়ো শরৎকালের আশঙ্কার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে।
এই বিষয়ে মে অফিস জানিয়েছে, বর্তমান প্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে চলতি শরৎকালের শেষের দিকে এবং শীতের শুরুর সময়টাতে আবহাওয়া বছরের ওই সময়ের স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় অনেক বেশি অস্থিতিশীল হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের মে অফিসের চিফ মেটোলজিস্ট ইয়ান লিস্ক (Ian Lisk) এই পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক মৌসুমী পূর্বাভাসগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শরৎকাল এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গড়ের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এল নিনো ঘটনার ঐতিহাসিক প্রভাবের সঙ্গে এই পরিস্থিতি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে একটি উষ্ণ ও আর্দ্র শরৎকাল পাওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দেড় থেকে দুই গুণ বেশি। এই অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে দেশটিতে বন্যার ঝুঁকিও অনেকখানি বেড়ে গেছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইয়ান লিস্ক (Ian Lisk) আরও উল্লেখ করেছেন যে, তারা অত্যন্ত নিবিড়ভাবে এই পরিস্থিতির ওপর নজরদারি চালিয়ে যাবেন। এছাড়া ভবিষ্যতের পূর্বাভাসে এই পরিস্থিতির ব্যাপারে আস্থা আরও বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আপডেটও করা হবে।
অনুদুল এজেন্সি (Anadolu Agency)-এর সাংবাদিক বুরাক বিরের (Burak Bir) পরিবেশित এই সংবাদটি যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ সতর্কবার্তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে এল নিনোর প্রভাবে সম্ভাব্য দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।








