ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত
গত শনিবার কানাডার ম্যানিটোবার লা-ব্রেইরিয়ার পার্কে ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের (এমবিএলসি) বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশি শিশুদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষাদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৪৭· ১ মিনিট পড়া

কানাডার ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের (এমবিএলসি) উদ্যোগে গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) বার্ষিক পিকনিকের আয়োজন করা হয়। সুদূর প্রবাসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়েছে। কানাডার ম্যানিটোবার মনোরম পরিবেশে অবস্থিত লা-ব্রেইরিয়ার পার্কে এই বার্ষিক পিকনিকের আয়োজন করা হয়।
ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টার (এমবিএলসি) মূলত কানাডায় বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশি শিশুদের নিয়ে কাজ করে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের বাংলা ভাষা, গান ও নাচ শিক্ষা দেওয়া। এর মাধ্যমে প্রবাসের মাটিতেও বাঙালি সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রবাসজীবনে বেড়ে ওঠা ছেলেমেয়েদের শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত করার ক্ষেত্রে এই শিক্ষা কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়ার এই প্রচেষ্টায় অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এই বার্ষিক পিকনিকটি উদযাপন করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এই স্কুলটির কার্যক্রমের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির বড় একটি দিক জড়িত রয়েছে। ম্যানিটোবার সরকারি স্কুল ডিভিশনের সঙ্গে এই স্কুলের কোলাবরেশন বা সহযোগিতা রয়েছে। এর ফলে এখানকার শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা লাভ করে থাকে।
এই সহযোগিতার সুবাদে ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুবিধা ভোগ করে থাকে। শিক্ষার্থীরা তাদের হাইস্কুলে বাংলার ওপর চারটি ক্রেডিট নিয়ে সফলভাবে পাস করতে পারে, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বড় অর্জন হিসেবে যোগ হয়।
সব মিলিয়ে, গত শনিবার লা-ব্রেইরিয়ার পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের (এমবিএলসি) এই বার্ষিক পিকনিকটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি আনন্দদায়ক ও সফল মিলনমেলায় পরিণত হয়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রবাসে বাংলা ভাষার প্রসারে অনন্য অবদান রেখে চলেছে।








