মেট্রোরেলের মিডিয়ানে বৃক্ষরোপণ শুরু, হকারদের নিয়ে নতুন ঘোষণা
রাজধানীর শিক্ষা ভবন থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত মেট্রোরেলের মিডিয়ানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সময় প্রশাসক আব্দুস সালাম সময় থাকতেই হকারদের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং মতিঝিলে নাইট মার্কেট চালুর ঘোষণা দেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর শিক্ষা ভবন থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত মেট্রোরেলের মিডিয়ানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়, যা নগরীর সবুজায়ন বাড়ানোর উদ্যোগে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের পাশাপাশি রাজধানীর ফুটপাত ও জনবহুল এলাকার শৃঙ্খলা এবং হকারদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন এবং সুনির্দিষ্ট ঘোষণা প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক আব্দুস সালাম হকারদের বিষয়ে কঠোর বার্তা দেন। তিনি সময় থাকতেই হকারদের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। নগরীর শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যানজট নিরসনে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
হকারদের পুনর্বাসন ও ব্যবসার সুযোগ বজায় রাখতে নতুন একটি বিকল্প ব্যবস্থার কথাও জানান প্রশাসক। তিনি ঘোষণা করেন যে, মতিঝিলে অফিস সময়ের পর বিকেল চারটার পর থেকে নাইট মার্কেট চালু করা হবে। হকাররা সেখানে বসবেন।
তবে এই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে বলে তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সপ্তাহে সাতদিন তাদেরকে সব জাগয়ায় বসতে দিত পারবো না। এটা তাদেরকেও মানতে হবে। নিয়মের অনুযায়ী, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অনুযায়ী তাদের বসতে হবে।
এদিকে নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু মেট্রোরেলের মিডিয়ানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে নগরের সব ফ্লাইওভারের নিচে গাছ লাগানো হবে।
রাজধানীর সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিবেশ দূষণ রোধে এই উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হকারদের নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে ফুটপাত ও জনবহুল স্থানগুলোতে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








