মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াং ই ও মার্ক রুবিওর ফোনালাপ
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়, যার আগে বেইজিংয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ওয়াং ই।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে অংশ নেন। এই ফোনালাপের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি ও জিনহুয়া বার্তা সংস্থার সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ফোনালাপটি ইস্তাম্বুল, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
এই ফোনালাপটি একটি বিশেষ কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে সম্পন্ন হয়েছে। এর ঠিক একদিন আগে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে বেইজিংয়ে আতিথেয়তা দিয়েছিলেন এবং তার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেল।
ফোনালাপে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা নিয়ে কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি উল্লেখ করেন যে, উভয় দেশেরই সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক সুবিধার মানসিকতা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের পরবর্তী পর্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
ওয়াং ই আরও বলেন যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কিছু সময়ের জন্য সাধারণত গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীলতার পথ ধরে এগিয়ে চলেছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে ওয়াং ই ফোনালাপে জানান যে, চীন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে শান্ত ও সংযত থাকতে উৎসাহিত করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত উত্তেজনা এড়াতে এই সংযম অত্যন্ত প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়াও হরমুজ প্রণালী নিয়ে সুনির্দিষ্ট আহ্বান জানান চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওর সঙ্গে এই ফোনালাপটি এমন এক সময়ে হলো, যার ঠিক পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে ওয়াশিংটনে একটি পরিকল্পিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠককে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পরবর্তী মোড় পরিবর্তনকারী হিসেবে দেখা হচ্ছে।








