মধুখালীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে সাজা
ফরিদপুরের মধুখালীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ৬৫ বছর বয়সী জামাল মোল্লাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই রায় দেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ফরিদপুরের মধুখালীতে আট বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় জামাল মোল্লা নামের এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে প্রমাণিত হয় যে এই অপরাধের সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জড়িত ছিলেন।
<প>মামলার বিবরণ অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত জামাল মোল্লার বয়স ৬৫ বছর। অন্যদিকে যে শিশুটির সঙ্গে এই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে, তার বয়স আট বছর। ঘটনার দিন শিশুটির ওপর এই নির্যাতন বা চেষ্টার ঘটনা ঘটেছিল, যা পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে গড়ায়।<প>ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি বিকেলে। ওই দিন বিকেলের ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার পর শিশুটির পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ঘটনার দিন বিকেলের ওই ঘটনার পরদিন অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মধুখালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।<প>মামলা দায়েরের পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন। রায়ে বিচারক শামীমা পারভীন আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।<প>আদালতের রায়ে আরও বলা হয়েছে যে, নির্ধারিত ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আসামিকে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় প্রদান করেন।<প>এদিকে এই রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে মধুখালি থানায় দায়েরকৃত মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি বিকেলে ঘটিত ওই ঘটনার পর মধুখালি থানায় মামলা দায়েরের পর থেকে পুলিশ ও আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং অবশেষে এই রায় আসে।







