ব্যবহৃত ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি
ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বারভিডা। বুধবার ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (ইভি) আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই দাবি তুলে ধরা হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বারভিডা।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক কার আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। অথচ বর্তমান সরকারের নীতি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে মোটরযান খাতে ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এমন একটি জাতীয় লক্ষ্যের সাথে এই নিষেধাজ্ঞা সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন সংগঠনের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারভিডার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে আবদুল হক, আবদুল মান্নান চৌধুরী, হাবিবুল্লাহ ডন, মাহবুবুল হক চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, মহিবুল ইসলাম এবং ফরিদ উপস্থিত ছিলেন। দেশের এই শীর্ষ সংগঠনের নেতারা সরকারের সাথে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করলেও বর্তমান নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবির পাশাপাশি বারভিডার পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাও তুলে ধরা হয়। সংগঠনটি ব্যবহৃত ইভি আমদানির ক্ষেত্রে সর্বাধিক পাঁচ বছর বয়সসীমার একটি প্রস্তাব দিয়েছে। একই সাথে গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭০ শতাংশ স্টেট অব হেলথ (এসওএইচ) বজায় রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশ ও মান রক্ষায় সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার পক্ষ থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হয়। সংগঠনের নেতা আবদুল হক বলেন, "আমরা সরকারের নীতির বিরোধিতা করছি না। এই শিল্পের জন্য আমাদের চাওয়া বাস্তবসম্মত, ভারসাম্যপূর্ণ ও ভবিষ্যতমুখী নীতি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "একটি নিষেধাজ্ঞা বাজারকে থামিয়ে দিতে পারে, কিন্তু একটি সঠিক নীতি একটি শিল্পকে গড়ে তুলতে পারে।" বারভিডার মতে, সঠিক নীতিমালার মাধ্যমে এই খাতটিকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব এবং এর ফলে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশ উভয়ই উপকৃত হবে।








