বেসরকারি চাকরিজীবীদের আয়কর হিসাবের পদ্ধতি ও নির্দেশিকা
বাংলাদেশে বেসরকারি চাকরিজীবীদের আয়কর হিসাব করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা আয়ের সাথে যুক্ত হয়। পাশাপাশি করমুক্ত আয়ের সীমা এবং বিশেষ করছাড়ের বিধান রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের আয়কর হিসাব করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ও নির্দেশিকা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের চাকরি থেকে মোট প্রাপ্তির হিসাব করতে হয়।
এই প্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে প্রাপ্ত মোট প্রাপ্তির সাথে বিভিন্ন ধরনের ভাতা যোগ করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে মাসিক মূল বেতন, উৎসব বোনাস, চিকিৎসা ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, বাড়ি ভাড়া ভাতা এবং গাড়ি সুবিধা। এসব খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ একজন চাকরিজীবীর আয়ের প্রাথমিক ভিত্তি তৈরি করে।
আয় নির্ধারণের পর করদাতাদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এবিসি প্রতিষ্ঠান বা সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, চাকরি খাত থেকে প্রাপ্ত আয়ের ওপর বিশেষ করছাড় হিসেবে মোট প্রাপ্তির এক-তৃতীয়াংশ অথবা সর্বমোট পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে যা কম, সেই পরিমাণ অর্থ করমুক্ত হিসেবে বাদ যায়।
করমুক্ত আয়ের ক্ষেত্রে নারী করদাতাদের জন্য বিশেষ বিধান রয়েছে। নারী করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই সীমার পর্যন্ত আয়ের ওপর কোনো কর দিতে হয় না।
উচ্চ আয়ের করদাতাদের জন্য সারচার্জের নিয়মও প্রযোজ্য রয়েছে। করদাতার নিট সম্পদ ২০ কোটি টাকা অতিক্রম করলে মোট আয়করের ওপর অতিরিক্ত ৩০ শতাংশ সারচার্জ যুক্ত হয়। এই নীতিমালা অনুযায়ী করদাতাদের তাদের বার্ষিক আয় ও সম্পদের হিসাব দাখিল করতে হয়।








