মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

বিশ্ব চিঠি দিবস ও রবীন্দ্রনাথের চিঠির নানা দিক

১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিপত্র ও তাঁর বিভিন্ন প্রাপকদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লেখা কবির পাঁচ শর বেশি চিঠি এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

বিশ্ব চিঠি দিবস ও রবীন্দ্রনাথের চিঠির নানা দিক
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব চিঠি দিবস পালিত হয়। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিপত্র, বিশেষ করে তাঁর বিভিন্নজনকে লেখা চিঠি নিয়ে নানা আলোচনা উঠে আসে। জীবনের নানা সময়ে কবি বিভিন্ন মানুষকে চিঠি লিখেছেন, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠির প্রাপকদের মধ্যে চারজন নারী সবচেয়ে বেশি চিঠি পেয়েছেন। তাঁরা হলেন ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী, রাণু মুখোপাধ্যায়, হেমন্তবালা দেবী এবং নির্মলকুমারী মহলানবিশ। কবি তাঁর জীবদ্দশায় সবচেয়ে বেশি চিঠি লিখেছেন নির্মলকুমারী মহলানবিশকে (রানী)।

নির্মলকুমারী মহলানবিশ রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে তাঁর প্রথম চিঠি পেয়েছিলেন ১৯২৫ সালে এবং তাঁর পাওয়া শেষ চিঠিটি ছিল ১৯৪১ সালের ৮ জুন। নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠির সংখ্যা পাঁচ শর বেশি। এই বিশাল চিঠিপত্রের ভাণ্ডার গবেষক ও পাঠকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠি নিয়ে বলতে গিয়ে মাসুক হেলাল, অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য, জীবনানন্দ দাশ, প্রমথনাথ বিশী, ব্যোমকেশ মুস্তফী, রাণু মুখোপাধ্যায়, হেমন্তবালা দেবী, বনমালী এবং প্রথম আলো ও মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্সের প্রসঙ্গও বিভিন্নভাবে সামনে আসে। অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য–এর সংকলন ও সম্পাদনায় এবং মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘নিজের কথা’ নামের একটি চিঠি সংকলন, যার পৃষ্ঠসংখ্যা ৫১১। এছাড়া রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর ৮৫ বছর পরে তাঁর চিঠির আবেদন ও গুরুত্ব নতুন করে অনুভূত হয়।

চিঠি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই বিভিন্ন ভাবনা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমার গদ্য, পদ্যে কোথাও আমার সুখদুঃখের দিনরাত্রিগুলো এরকম করে গাঁথা নেই।” কবি আরও লিখেছেন, “কবিরে পাবে না কবির জীবন চরিতে।”

চিঠির স্বরূপ ও প্রকৃতি নিয়ে রবীন্দ্রনাথ আরও উল্লেখ করেছিলেন, “চিঠিটা হওয়া উচিৎ কলম দিয়ে লেখা নয়, লেখনী দিয়ে লেখা—কলমের লেখা হয়ত চিন্তার খোরাক দেয় কিন্তু লেখনী দেয় সঙ্গ...” এছাড়া চিঠির আটপৌরে রূপ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, “মানুষের একটা বিশেষ খাতা আছে—আলগা পাতা—সেটা যা-তা লেখবার জন্য, সে লেখার দামে কথা কেউ ভাবেও না। লেখাটাই তার লক্ষ্য, কথাটা উপলক্ষ। সে রকম লেখা চিঠিতে ভালো চলে; আটপৌরে লেখা,––তার না আছে মাথার পাগড়ি, না আছে পায়ে জুতো। পরের কাছে পরের বা নিজের কোন দরকারে নিয়ে সে যায় না; সে যায় যেখানে বিনা দরকারে গেলেও জবাবদিহি নেই, যেখানে কেবলমাত্র বকে যাওয়ার জন্যই যাওয়া আসা।…”

জীবনের শেষভাগে চিঠির আদান-প্রদান ও নিজের মনস্তত্ত্ব নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, “তাই আজ চিঠি লিখিনে, স্বগত উক্তি করে যাই। জীবনের জানালায় বসে বাইরের দিকে তাকাবার অভ্যাস চলে গেছে—এখন মনের ভিতরের দিকে তাকিয়ে বক্তব্য সংগ্রহ করে চলি।… আমার নিজের সেদিনকার চিঠি যেন আমার আজকের এই দিনকে লেখা।” উল্লেখ্য, তখনকার দিনে চিঠি পাঠাতে খরচ হতো পাঁচ পয়সা। এসব চিঠির মাধ্যমে তৎকালীন সমাজ, সাহিত্য ও কবির অন্তর্জগতের এক অনন্য রূপ ফুটে ওঠে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
৯০ বছর বয়সেও পাবনার বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ
জীবনযাপন

৯০ বছর বয়সেও পাবনার বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ

পাবনা সদরের মাসুম বাজারে ৯০ বছর বয়সেও মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন নিয়ামত মোল্লা। একটি মাছ কেটে তিনি পান ২০ থেকে ৩০ টাকা। এই আয়ে তাঁর স্ত্রীসহ সংসার ও ওষুধের খরচ চলে।

১ মিনিট পড়া
সৌখিন ইঁদুর তাড়ানোর ব্যর্থ ও হাস্যকর প্রচেষ্টা
জীবনযাপন

সৌখিন ইঁদুর তাড়ানোর ব্যর্থ ও হাস্যকর প্রচেষ্টা

লেখকের ঘরে একটি নেংটি ইঁদুরের উৎপাত শুরু হলে তাকে তাড়াতে নানা আয়োজন করা হয়। চানাচুর, দুধ-কলা ও বিষ কেনার পাশাপাশি লোহার রড ও ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে তাড়া করলেও ইঁদুরটিকে ধরা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরটি নিজে থেকেই পালিয়ে গেলেও বড় ভাইয়ের টিটকারির মুখে পড়তে হয় লেখকদের।

১ মিনিট পড়া
কলেজজীবনের চেয়ে চাকরিজীবন কেন শ্রেয়, জানালেন তরুণী
জীবনযাপন

কলেজজীবনের চেয়ে চাকরিজীবন কেন শ্রেয়, জানালেন তরুণী

ভারতের বেঙ্গালুরুর এক তরুণী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কলেজজীবন ও কর্মজীবনের তুলনামূলক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তার মতে, চাকরিজীবনে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বেশি থাকে।

১ মিনিট পড়া
ফুটপাতে হলুদ ট্যাকটাইল পেভিং টাইলসের কার্যকারিতা
জীবনযাপন

ফুটপাতে হলুদ ট্যাকটাইল পেভিং টাইলসের কার্যকারিতা

শহরের ফুটপাতে সাধারণ টাইলসের মাঝে হলুদ রঙের বিশেষ ট্যাকটাইল পেভিং টাইলস ব্যবহার করা হয়। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও কম দৃষ্টিশক্তির মানুষের চলাচল সহজ ও নিরাপদ করার জন্যই এই বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER