প্যারোলে মুক্ত হয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় বাবার জানাজায় শাহাদাত
কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন মোহাম্মদ শাহাদাত নবী। ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের চন্দনাইশে এই ঘটনা ঘটে। তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় তিনটি মামলা রয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন মোহাম্মদ শাহাদাত নবী। গত ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় এই মানবিক ও আলোচিত ঘটনাটি ঘটে। বাবা নুরুনবী সওদাগরের মৃত্যুর পর তাকে শেষবারের মতো দেখার এবং জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, মোহাম্মদ শাহাদাত নবীর বাবা নুরুনবী সওদাগর ১৭ আগস্টের আগের দিন রবিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে মারা যান। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। এর প্রেক্ষিতে তাকে কারাগার থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় মুক্তি দেওয়া হয়।
পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই যাত্রায় মোহাম্মদ শাহাদাত নবীকে মোট সাড়ে ১১ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চন্দনাইশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জানাজার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
তবে জানাজার মতো একটি স্পর্শকাতর ও শোকাবহ পরিস্থিতিতেও তার হাতে হাতকড়া পরিহিত থাকার বিষয়টি জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, প্যারোলে মুক্ত থাকা সত্ত্বেও হাতকড়া পরা অবস্থাতেই তাকে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দেখা যায়।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ শাহাদাত নবীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। এসব মামলার আইনি প্রক্রia ও নিরাপত্তার খাতিরেই কড়া প্রহরায় তাকে জানাজায় উপস্থিত রাখা হয়েছিল।
এদিকে, তার আটকের বিষয়ে নুরুল আলম জানিয়েছেন, গত বছর ১২ আগস্ট ঢাকার পল্টন এলাকা থেকে শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাবন্দী ছিলেন এবং পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য চন্দনাইশে আসেন।
বাবার জানাজা শেষে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী সাড়ে ১১ ঘণ্টার প্যারোল মেয়াদ শেষ হলে মোহাম্মদ শাহাদাত নবীকে পুনরায় আইনানুগভাবে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার বা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের অধীনে ফিরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। চন্দনাইশ থানা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পুরো বিষয়টি সম্পন্ন হয়।








