পশ্চিম তীরের E1 এলাকায় ইসরায়েলের অবৈধ বসতি নির্মাণের নিন্দা
পশ্চিম তীরের সংবেদনশীল E1 এলাকায় অবৈধ বসতি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে ইসরায়েল। এই পদক্ষেপে তীব্র আন্তর্জাতিক নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল সরকার ও তাদের নির্মাণ ও আবাসন মন্ত্রণালয় জেরুজালেমের পূর্বে অবস্থিত অত্যন্ত সংবেদনশীল E1 এলাকায় আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দরপত্র আহ্বান করেছে। ১২ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চলে নতুন বসতি স্থাপনের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
এই প্রকল্পের আওতায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিন্নতা অনুযায়ী বিভিন্ন পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। সূত্র ১ অনুযায়ী সেখানে ১২৩৪টি আবাসিক ইউনিট নির্মাণের কথা বলা হয়েছে, অন্যদিকে সূত্র ২ অনুযায়ী ২৩৪টি বসতি বাড়ির কথা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সার্বिक পরিকল্পনায় মোট ৩ হাজার ৪০০টি আবাসন নির্মাণের কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলের এই একতরফা পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার ও মিশর যৌথভাবে ইসরায়েলের এই অবৈধ বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলোও এই বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও নরওয়ে একটি যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের এই পরিকল্পনাকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে অভিহিত করেছে। আন্তর্জাতিক এই দলটির মতে, এ ধরনের কার্যক্রম শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও দূরে ঠেলে দিচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এবং দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি এবং গভীর উদ্বেগের বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের এমন আগ্রাসী সম্প্রসারণ নীতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকিতে ফেলছে।
উল্লেখ্য যে, এই পুরো কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে মোহাম্মদ বিন সালমান, ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং আন্তোনিও গুতেরেসের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কূটনৈতিক তৎপরতা ও পর্যবেক্ষণ যুক্ত রয়েছে। অঞ্চলটিতে শান্তি বজায় রাখতে এবং অবৈধ বসতি স্থাপন রুখতে বিশ্বনেতারা নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।








